1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
বরিশালে ৪৮ অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশালে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইমরান রহমানের নেতৃত্বে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ধানের শীষের প্রচারণা। প্রান্তিক জনপদে দ্বারে দ্বারে বরিশাল-৪ আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বার বরিশাল জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা ও কমিটি গঠন উজিরপুরের সাতলায় ময়না শিশু পার্ক ও রিসোর্ট উদ্বোধন করেন ধানের শীষের প্রার্থী এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু প্রচারণার ১ম দিনে মেহেন্দিগঞ্জে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ব্যাপক সাড়া উজিরপুরের সাতলায় উঠান ও বৈঠকে অনুষ্ঠানে বক্তব্য কালে বলেন গনতন্ত্র পূর্ণঃপ্রতিষ্ঠায় বিএনপির বিকল্প নেই সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু বরিশাল কিডস ক্যাম্পাসের বৃত্তি ফলাফলে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস আড়াই যুগ পরে দাঁড়িপাল্লা পেয়ে হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জে উচ্ছাস বরিশালে পিআইবির দুই দিনব্যাপী নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আগামী নির্বাচন নতুন বন্দোবস্তের নির্বাচন -শায়খে চরমোনাই
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

বরিশালে ৪৮ অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৩৪ 0 বার সংবাদি দেখেছে

বরিশালসহ সারাদেশে ১ হাজার ২৮৫টি অবৈধ স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সন্ধান পেয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টক সেন্টার রয়েছে। অধিদপ্তর জানিয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধে তালিকা নিয়ে দ্রুত মাঠে নামছে মাঠ প্রশাসন। অবৈধ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৪১৫, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৫২, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৪০, খুলনা বিভাগে ১৫৬, রংপুর বিভাগে ১১১, রাজশাহী বিভাগে ৫৫, বরিশাল বিভাগে ৪৮ এবং সিলেট বিভাগে ৮টি রয়েছে।

গত সপ্তাহে উচ্চ আদালতের নির্দেশে সারা দেশের অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের তথ্য চায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বিভাগীয় কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য থেকে এসব জানা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. মঈনুল আহসান সাংবাদিকদের বলেন, প্রাপ্ত কপিটা আমরা জেলাপর্যায়ে মাঠ প্রশাসনকে দেবো। তারা জেলা প্রশাসক বা ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে সমন্বয় করে তালিকা মোতাবেক এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে। আমার চিন্তা বন্ধ করা, তবে যদি কেউ আইনের মাধ্যমে ফিরতে চায়, তবে সেসব ক্লিনিকগুলোকে অত্যন্ত কঠোরভাবে দেখা হবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বাস্থ্য বিভাগের তদারকির অভাবেই এতদিন ধরে এসব অবৈধ প্রতিষ্ঠান চলেছে। এখন শুধু বন্ধ করলেই হবে না, মাঠ পর্যায়ে নজরদারিও জোরদার করতে হবে। অনুমোদন নিয়েই চালু করতে হয় হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টার। তবে দেশে এর উল্টোটাই ঘটছে। এর পেছনে বড় কারণ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও সিভিল সার্জনদের নজরদারির অভাব।

দেশে অনুমোদিত বেসরকারি হাসপাতাল আছে ৫ হাজার। আর অনুমোদন নিয়ে চলছে ১০ হাজার ডায়াগনস্টিক সেন্টার।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ