1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই শুধু পুলিশের নয়। এটি পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র, আইনজীবী ও আদালত সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সিনিয়রদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বখাটেদের হাতে গণিত বিভাগের ৪ শিক্ষার্থী মারধরের শিকার গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় হানিট্র্যাপের সদস্য জি এম রিয়াজ আটক বিনা পারিশ্রমিকে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার ঘোষণা দিলেন মুকিত স্যার মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই শুধু পুলিশের নয়। এটি পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র, আইনজীবী ও আদালত সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। গোল্ডেন এ প্লাসে উজ্জ্বল বরিশাল সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের সুবাহ ইসলাম সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন ববি ছাত্রদল নেতা বরিশালে আন্তর্জাতিক যুব দিবস পালিত উজিরপুরে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’, প্রতিবাদ বিএনপি নেতা ফিরোজের উজিরপুরে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মতবিনিময় সভা উজিরপুরে নিরুদ্দেশ হওয়া ৫০ বছর পর অসুস্থ ভাইকে পিত্রালয় উঠতে দিলেন না সহধর ভাই, এলাকাবাসীর হস্তক্ষেপে উঠলেন।
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই শুধু পুলিশের নয়। এটি পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র, আইনজীবী ও আদালত সবার সম্মিলিত দায়িত্ব।

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৮ 0 বার সংবাদি দেখেছে

মিরাজুল ইসলাম: বরিশাল মহানগরীতে মাদকের বিস্তার দিন দিন উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। নগরীর ৩০টি ওয়ার্ড থেকে সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকের ছোবল নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ রয়েছে। কিশোর-কিশোরী থেকে শুরু করে তরুণ, মধ্যবয়সী এমনকি বয়স্কদের একটি অংশ মাদকের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো, মাদক ব্যবসায়ীরা এখন নারী ও শিশু-কিশোরদেরও মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

মাদক এখন আর শুধু একটি অপরাধের নাম নয়। এটি একটি পরিবারকে ধ্বংস করতে পারে, একটি কিশোরের ভবিষ্যৎ শেষ করে দিতে পারে এবং একটি সমাজের নিরাপত্তাকে বিপন্ন করতে পারে। ফলে বরিশালে মাদক নিয়ন্ত্রণকে শুধু আইনশৃঙ্খলার বিষয় হিসেবে দেখলে চলবে না, এটিকে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সংকট হিসেবেও দেখতে হবে।
নারী ও শিশু কেন মাদকচক্রের বাহক?
মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত চক্রগুলো নিজেদের আড়ালে রাখতে বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে। এর মধ্যে নারী ও শিশু-কিশোরদের দিয়ে মাদক বহন করানো অন্যতম উদ্বেগজনক প্রবণতা।
বরিশালে সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনাই বিষয়টির ভয়াবহতা সামনে এনেছে।
২০২৬ সালের ৯ মে নগরীর রসুলপুর এলাকায় সোহাগী বেগম (২৮) নামে এক নারীকে ১,০৫৮ পিস ইয়াবা, ১ কেজি ৫৮০ গ্রাম গাঁজা এবং প্রায় ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩০ টাকা মাদক বিক্রির অর্থসহ আটকের কথা জানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় তার স্বামী পালিয়ে যায় এবং দুজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয় বলে সংবাদে উল্লেখ করা হয়।
এর কয়েকদিন আগে, ৩ মে নগরীর কলসগ্রাম এলাকায় বাসে তল্লাশি চালিয়ে জাহিদা বেগম (২০) নামে এক নারীকে ১,০০০ পিস ইয়াবাসহ আটকের কথা জানায় পুলিশ। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়।
শুধু সাম্প্রতিক ঘটনাই নয়, ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক স্বামীর কাছে ইয়াবা পৌঁছে দিতে গিয়ে সাদিয়া আক্তার (২৪) নামে এক নারী প্রায় ৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক হওয়ার খবরও প্রকাশিত হয়েছিল। ওই ঘটনায় একজন পুলিশ কনস্টেবলকেও আটকের কথা সংবাদে উল্লেখ করা হয়।
আবার ২০২৫ সালের ৮ নভেম্বর নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর এলাকায় শিল্পী বেগম (৩৮) নামে এক নারীকে ১০২ পিস ইয়াবা, গাঁজা, মদ, দেশীয় অস্ত্র ও ২০ লাখ ৪৮ হাজার ৫১০ টাকা সহ আটকের কথা জানায় পুলিশ।
এই ঘটনাগুলো একটি প্রশ্ন সামনে আনে:
নারীরা কি নিজেরাই মাদক ব্যবসার মূল নিয়ন্ত্রক, নাকি তাদের একটি অংশকে বড় চক্রগুলো বাহক হিসেবে ব্যবহার করছে?
প্রতিটি মামলার তদন্তেই এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা জরুরি।
শুধু বাহক আটক করে কি মাদক বন্ধ হবে?
একজন নারী বা কিশোরের কাছ থেকে মাদক উদ্ধার হলো, তাকে গ্রেপ্তার করা হলো, মামলা হলো। এরপর আদালতে বিচার চলল। কিন্তু মাদকটি তার হাতে পৌঁছাল কীভাবে?
কে দিয়েছে?
কোথা থেকে এসেছে?
কার কাছে যাওয়ার কথা ছিল?
টাকা কে দিয়েছে?
মোবাইলে কার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল?
মূল সরবরাহকারী কে?
অর্থের যোগানদাতা কে?
তদন্ত যদি শুধু “কার কাছে মাদক পাওয়া গেছে” এই প্রশ্নে থেমে যায়, তাহলে মাদকের মূল নেটওয়ার্ক অক্ষত থেকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
মাদক ব্যবসার মূল হোতাদের শনাক্ত করতে হলে অর্থের লেনদেন, মোবাইল যোগাযোগ, সরবরাহের পথ এবং পূর্বের মামলার তথ্য বিশ্লেষণ করা জরুরি।

শিশুদের ব্যবহার আরও ভয়ংকর
নারীদের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের মাদক পরিবহনে ব্যবহার করা হলে বিষয়টি আরও ভয়াবহ। কারণ একটি শিশু অনেক সময় বুঝতেই পারে না, সে কী ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে।

বাংলাদেশের শিশু আইন, ২০১৩ শিশুদের জন্য পৃথক বিচারব্যবস্থা ও বিশেষ সুরক্ষার বিধান দিয়েছে। কোনো শিশু অপরাধে জড়িয়ে পড়লে তার বয়স, মানসিক অবস্থা ও পারিপার্শ্বিকতা বিবেচনায় নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
অপরাধী চক্র যদি এই আইনগত সুরক্ষাকে অপব্যবহার করে শিশুদের মাদক বহনের কাজে ব্যবহার করে, তাহলে সেটি শুধু মাদক অপরাধ নয়, শিশু অধিকার লঙ্ঘনেরও গুরুতর বিষয়।
তাই কোনো শিশু মাদকসহ আটক হলে শুধু শিশুটিকে গ্রেপ্তার করাই যথেষ্ট নয়। তদন্ত করতে হবে কে তাকে ব্যবহার করেছে এবং কীভাবে তাকে এই কাজে যুক্ত করা হয়েছে।

আইনের ফাঁকফোকর, নাকি প্রয়োগের দুর্বলতা?
বাংলাদেশে মাদক অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬ ধারায় মাদকদ্রব্যের ধরন ও পরিমাণভেদে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। কিছু গুরুতর ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন বা মৃত্যুদণ্ডের বিধানও রয়েছে।
তাহলে প্রশ্ন আসে, আইন এত কঠোর হওয়ার পরও মাদক ব্যবসা কেন থামছে না?
সমস্যা শুধু আইনের ফাঁকফোকরে নয়। আইনের প্রয়োগ, তদন্তের মান, সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ, জব্দ তালিকা, ফরেনসিক পরীক্ষা, সাক্ষীর উপস্থিতি এবং বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা অনেক সময় মামলার ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে।
তাই শুধু আইন কঠোর করলেই হবে না। বিদ্যমান আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ করাও জরুরি।

‘নারীর জামিন সহজ, শাস্তি কম’—এই ধারণা কতটা সত্য?
মাদকচক্রের একটি কৌশল হতে পারে নারী ও শিশুদের সামনে রেখে নিজেদের আড়াল করা। কিন্তু নারী হলেই সহজে জামিন বা কম শাস্তি হবে, এমন কোনো সাধারণ নিয়ম নেই।
আদালত জামিনের ক্ষেত্রে মামলার ধারা, অভিযোগের প্রকৃতি, প্রমাণ ও অন্যান্য আইনগত বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত দেয়। একইভাবে শাস্তিও অপরাধের ধরন, মাদকের পরিমাণ ও প্রযোজ্য আইনের ওপর নির্ভর করে।
তবে অপরাধীরা যদি নারী বা শিশুর জন্য বিদ্যমান আইনগত সুরক্ষা ও পৃথক বিচারব্যবস্থাকে অপব্যবহার করে, তাহলে সেটি অবশ্যই তদন্তের আওতায় আনতে হবে।

পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন
মাদকবিরোধী অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু কোনো কর্মকর্তা দায়িত্বে অবহেলা করলে বা মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ উঠলে তারও জবাবদিহি থাকা প্রয়োজন।
২০২৫ সালের এপ্রিলে বরিশাল নগর গোয়েন্দা পুলিশের এক এএসআইয়ের বিরুদ্ধে নির্ধারিত এলাকার বাইরে অভিযান চালিয়ে মাদকসহ এক নারীকে আটকের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর ওই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
এ ধরনের ঘটনা সত্য হলে তা শুধু একজন কর্মকর্তার অনিয়ম নয়, মাদকবিরোধী পুরো অভিযানের বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর আঘাত।
তবে সাংবাদিকতার স্বার্থে মনে রাখতে হবে, অভিযোগ, তদন্তে প্রমাণিত ঘটনা এবং আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়া এক বিষয় নয়। প্রতিটি ক্ষেত্রে যাচাই করা তথ্যই প্রকাশ করতে হবে।

কারাগারের ভেতরেও মাদক!
মাদক নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নগুলোর একটি হলো, কারাগারের মতো কঠোর নিরাপত্তার জায়গায় মাদক কীভাবে ঢোকে?
২০২৬ সালের জুনে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে এক নারী বন্দির কাছ থেকে ২১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধারের খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ ঘটনায় কারাগারের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে।
এ ধরনের ঘটনায় শুধু বন্দিকে দায়ী করলেই হবে না। প্রশ্ন উঠবে:
মাদক কারাগারে ঢুকল কীভাবে?
কারা সরবরাহ করল?
নিরাপত্তা কোথায় ব্যর্থ হলো?
কেউ সহযোগিতা করেছে কি না?
এসব প্রশ্নের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।

আইনজীবীদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ
মাদক মামলায় আসামির আইনগত অধিকার নিশ্চিত করা অবশ্যই আইনের অংশ। একজন আইনজীবী তার মক্কেলের পক্ষে আইনগত প্রতিকার চাইবেন, এটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু বিচারপ্রক্রিয়ায় মিথ্যা তথ্য, জাল কাগজ বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিচার বাধাগ্রস্ত করার কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়।
একইভাবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের দায়িত্ব হলো যথাযথ সাক্ষ্য-প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা এবং তদন্তকারী সংস্থার সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা।

করণীয় কী?
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর করণীয়
শুধু বাহক নয়, মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করতে হবে।
নারী ও শিশুদের ব্যবহারকারী চক্র শনাক্ত করতে হবে।
মাদকের উৎস ও সরবরাহের পথ অনুসন্ধান করতে হবে।
অর্থের লেনদেন ও মোবাইল যোগাযোগ তদন্ত করতে হবে।
পুলিশের কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠলে নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে।
সমাজের করণীয়
পরিবারকে সন্তানের আচরণ ও বন্ধুমহল সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠন ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত করতে হবে।
একই সঙ্গে মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে শুধু অপরাধী হিসেবে না দেখে চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের সুযোগ দিতে হবে।
রাষ্ট্র ও আদালতের করণীয়
মাদক মামলার তদন্ত দ্রুত ও মানসম্মত করতে হবে। শিশু অভিযুক্ত হলে শিশু আইনের বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। মামলা নিষ্পত্তিতে অযথা দীর্ঘসূত্রতা কমাতে হবে।

শেষ কথা
বরিশালের মাদক পরিস্থিতি মোকাবিলায় শুধু অভিযান চালিয়ে কয়েকজন নারী, কিশোর বা যুবককে আটক করলেই সমস্যার সমাধান হবে না।
মাদক বহনকারীকে ধরার পাশাপাশি মাদকদাতা, সরবরাহকারী, অর্থদাতা ও মূল নিয়ন্ত্রকদের ধরতে হবে।
কারণ আজ যে কিশোরটি কয়েক হাজার টাকার বিনিময়ে একটি মাদকের প্যাকেট বহন করছে, সে হয়তো অপরাধী হওয়ার আগে একজন ব্যবহৃত শিকার।
আর যে চক্র তাকে ব্যবহার করছে, সেই চক্র যদি আড়ালে থেকে যায়, তাহলে গ্রেপ্তার হবে মানুষ, কিন্তু মাদক ব্যবসা বন্ধ হবে না।
বরিশালের ৩০টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার মানুষের নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য এখন প্রয়োজন:
অভিযান + সঠিক তদন্ত + দ্রুত বিচার + জবাবদিহি + পুনর্বাসন + সামাজিক প্রতিরোধ।

মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই শুধু পুলিশের নয়। এটি পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র, আইনজীবী ও আদালত সবার সম্মিলিত দায়িত্ব।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ