
মো:এমদাদুল কাসেম সেন্টু, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা ইউনিয়নে এক দিনমজুরের । হত্যা নাকি আত্মহত্যা এ নিয়ে শঙ্কা। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় উপজেলার হারতা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে নিজ বসতঘর থেকে এক দিনমজুরের লাশ উদ্ধার করেছে উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ। ২৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে উজিরপুর মডেল থানার এসআই আলমগীর হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দিনমজুর সুধির হালদারের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। সুত্রে জানা যায় হারতা ৭নং ওয়ার্ডের মৃত শুক্কর হালদারের ছেলে সুধির হালদার (৫৩) পার্শ্ববর্তী ৫ নং ওয়ার্ডের জামাতা খোকন পারুয়ার বাড়িতে কয়েক দিন পূর্বে বেড়াতে যায়। সেখান থেকে গত ২৩ এপ্রিল বিকেলে নীজ বাড়িতে ফিরে আসে। এরপর ২৪ এপ্রিল সকালে শাক তুলতে গিয়ে লক্ষী রানী নামের এক নারী সুধির হালদারের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে ডাকচিৎকার করলে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এসে জড়ো হয় এবং বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করে। নিহতের ২য় স্ত্রী চম্পা হালদার
গার্মেন্টসে চাকরি করেন। তার ১ মেয়ে রয়েছে । ১ম স্ত্রীর ২ মেয়ে,১ ছেলে রয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় সুধির হালদার বসতঘরের আড়ার সাথে দড়ি প্যাচিয়ে আত্মহত্যা করে। তবে তার পুরুষাঙ্গ থেকে অধিক রক্তক্ষরণ হয়। এই দেখে পুলিশের সন্দেহ হয় । এ চাঞ্চল্যকর আত্মহত্যা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন অভিযোগ তোলে। কেউ কেউ বলছে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। আবার কেউ কেউ বলছে দুই স্ত্রী নিয়ে সুধির হালদারের সাথে তার দুই শশুর বাড়ির লোকজনের সাথে প্রায়ই কলহ সৃষ্টি হয় । একারনেই সে আত্মহত্যা করেছে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ শওকত আলী বলেন আত্মহত্যার ব্যাক্তিদের পুরুসাঙ্গ থেকে রক্তক্ষরণ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে অনেক সময় পুরুসাঙ্গ থেকে বীর্যপাত হতে পারে। উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুস সালাম জানান খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এদিকে স্থানীয়রা প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করার দাবি জানিয়ে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন।