
নিজস্ব প্রতিবেদক: একের পর এক মিথ্যা প্রচারণা, বেতন পরিশোধ করতে না পেরে অভিভাবক কর্তৃক সন্তানদের হারিয়ে যাওয়া নাটক মঞ্চস্থ সহ বিভিন্ন পদ্ধতিতে বরিশাল নগরীর ৫ নং পলাশপুর ৭ নং গুচ্ছগ্রাম কালভার্ট সংলগ্ন পলাশপুর রহমানিয়া ক্বিরাতুল কুরআন পাবলিক এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং এর কর্তৃপক্ষকে হয়রানি করার অভি্যোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিং এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক নুরুল ইসলাম ফিরোজী বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানে অবস্থানরত ছাত্রদের আমরা বিনা খরচে থাকা-খাওয়া, পড়াশোনাসহ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রয়োজন মিটিয়ে থাকি। তবে, শিক্ষক,কর্মচারী এবং বাবুর্চির বেতন পরিশোধের জন্য অল্প কয়েকটি ছাত্রদের কাছ থেকে মাসিক ৫ শত টাকা গ্রহণ করা হয়।
এখানে অধ্যায়নরত দুই শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের কাছে প্রায় ৭ হাজার টাকা পাওনা থাকায় তারা ষড়যন্ত্র করে নিজেদের সন্তানদের লুকিয়ে রেখে নিখোজ হওয়ার সংবাদ প্রচার করে। এবং সন্তানদের খুজে না পেলে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে বলে বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদান করে। পরবর্তীতে, আমরা গভীর অনুসন্ধান করে নিখোজ হওয়া দুই শিক্ষার্থীদের বাসা থেকেই তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের উপস্থিতিতে অভিভাবকদের হাতে তুলে দেই। নুরুল ইসলাম আরও বলেন, শুধু এগুলোই নয়, আমার বাসা থেকে চুরি যাওয়া ( কাউনিয়া থানায় জিডি করা আছে) মোবাইলের মেমোরি কার্ড থেকে ব্যাক্তিগত কিছু ছবি নিয়ে সুপার এডিট করে বিকৃত ভাবে অনলাইনে আপলোড করার হুমকি দিয়ে ব্লাকমেইল করার চেষ্টা করছে একটি চক্র। স্থানীয় একাধিক ব্যাক্তির বক্তব্য অনুযায়ী, পলাশপুর এলাকায় অনেক গুলো মাদ্রাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিং থাকলেও অনেক মাদ্রাসায়ই কোন শিক্ষার্থী নেই। এর মধ্যে ফিরোজী হুজুরের মাদ্রাসায় প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে যাদের তিনি প্রতিপালন করেন। এরই রেশ ধরে প্রতিহিংসা বশত স্থানীয় একটি চক্র মাদ্রাসাটি বন্ধ করার পায়তারা চালাচ্ছে। আমরা বিষয়টির সুষ্ঠ সমাধানকল্পে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।