1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
টিসিবির পণ্যের জন্য ভোর থেকে লাইনে, খালি হাতে ফিরছেন অনেকে - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৩:০২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশালে মান্তা জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে ২১ সদস্যের উপদেষ্টা কমিটি গঠন ইসলামী ব্যাংক-ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের রেমিটেন্স ক্যাম্পেইনে বাইসাইকেল জিতলেন গ্রাহক বরিশাল প্রেসক্লাবের অবকাঠামো উন্নয়নে বিসিসি প্রশাসক শিরীনের নির্দেশে প্রকৌশলীদের পরিদর্শন উজিরপুরে মৎস্য চাষীদের উপকরণ ও গাছের চাড়া বিতরণ করেন নির্বাহী কর্মকর্তা – মোঃ আলী সুজা উজিরপুরে দুঃস্থদের মাঝে চাল ও বিভিন্ন জাতের গাছের চাড়া বিতরণ করেন – সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু এমপি আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে চুক্তি করেছে বসিক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে বরিশাল জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয় উজিরপুরের কৃতি সন্তান আমেরিকা প্রবাসী কবির হোসেন মৃধার অকাল মৃত্যুতে এমপি সরফুদ্দিন সান্টুর শোক বরিশাল কিডস ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ফল উৎসব অনুষ্ঠিত জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বরিশাল জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

টিসিবির পণ্যের জন্য ভোর থেকে লাইনে, খালি হাতে ফিরছেন অনেকে

  • প্রকাশিত : বুধবার, ৫ মার্চ, ২০২৫
  • ১৯১ 0 বার সংবাদি দেখেছে
‘আমার স্বামী পঙ্গু। মানুষের বাড়িতে কাজ করি খাই। বাজারোত যে দাম ওই দামে তেল, ডাল, চিনি, বুট কিনি খাওয়ার সাধ্য আমার নাই। শুনছি আজ প্রেসক্লাবের সামনে টিসিবি মাল দিবে।

সেহরি খায়া ঘুম না পাড়িয়ে একটু পরে এখান আসি লাইনে দাঁড়াইছি। ১২ টার দিকে ট্রাক আসলে হুড়মুড় করে মানুষ। দুই চারজনের মাল দিয়ে অমনে ট্রাক নিয়ে চলি যায়। আমরা কোন মাল পাই নাই।
দিনটাও গেলো মালও পাইলাম না। এটা কেমন কতা? ওমরা জানে না লোক বেশি, মাল বেশি দেওয়া লাগবে?’ 

টিসিবির পণ্যে না পেয়ে এমন আক্ষেপ করে কথা বলছিলেন রংপুরের মাহিগঞ্জের মাহমুদা বেগম।

‘রংপুরের করোনজাই রোডের বাসিন্দা গৃহিনী শামীমা বেগম বলেন, আমার স্বামী মুলাটোল আলিয়া মাদরাসার এবতেদায়ী শাখার শিক্ষক ছিল, রিটায়ার্ড করেছে। চারজনের সংসার।

শিক্ষক মানুষের স্ত্রী। লাজ লজ্জা ঢেকে সকাল সাতটায় এসে লাইনে দাঁড়াইছি। কিন্তু দুপুরে ট্রাক আসলেও আমরা পণ্য পেলাম না। এটা দুঃখজনক। আমাদের সাধ্য নাই বাজারে এত দামে তেল ডাল চিনি কেনার।

জানা গেছে, রমজানকে ঘিরে নিম্ন আয়ের মানুষজনের জন্য টিসিবির স্মার্টকার্ড ছাড়াই পণ্য নেওয়ার সুযোগ দেয় টিসিবি। গতকাল বুধবার রংপুর প্রেসক্লাব, কাচারী বাজার পার্ক মোড়, কালীবাড়ি মোড়, সার্কিট হাউসের সামনে, সিটির ৩২ নম্বর ওয়ার্ডেও তামপাট টেম্পুর মোড়, ৩১ নম্বও ওয়ার্ডেও পান বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রঘু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, র‌্যাব অফিসের সামনে এবং চার মাথা এলাকায় ১০ জন ডিলারের মাধ্যমে এই পণ্য বিক্রয় করা হয়। প্রতিজন ডিলারের বিপরীতে চারশ জনের পণ্য দেওয়া হয়েছে।

ট্রাকের লাইনে দাঁড়ানো একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ দুই লিটার সয়াবিন তেল, দুই কেজি মসুর ডাল, এক কেজি চিনি, দুই কেজি ছোলা ও ৫০০ গ্রাম খেজুর কিনতে পারেন। প্রতি লিটার ভোজ্যতেল ১০০ টাকা, প্রতি কেজি মসুর ডাল ৬০ টাকা, প্রতি কেজি চিনি ৭০ টাকা, প্রতি কেজি ছোলা ৬০ টাকা ও ১৫৬ টাকা কেজি দরে ৫০০ গ্রাম খেজুর ৭৮ টাকায় বিক্রি করা হয়। বিদ্যমান বাজার মূল্যের তুলনায় টিসিবি থেকে এসব পণ্য কিনে প্রায় ৪০০ টাকা সাশ্রয় করতে পারেন ক্রেতারা। তাই টিসিবির ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে প্রতিদিন লাইন দীর্ঘ হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিটি পয়েন্টে উপচে পড়া ভিড়। সেহরি খেয়ে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও অনেককেই খালি হাতে ফিরতে হয়েছে। পণ্য সংকট এবং উপস্থিতি বেশি হওয়ায় গ্রাহকরা টিসিবির মাল না পেয়েই ফিরে গেছেন। লাইনে দাঁড়াচ্ছেন নিম্ন এবং নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষজন।

বুধবার (৫ মার্চ) প্রেসক্লাব চত্বরে ট্রাক টিসিবির পণ্য বিক্রি করতে আসেন ডিলার মেমার্স মামুন স্টোর। বেলা ১২ টার দিকে তিনি পণ্য দিয়ে নির্ধারিত স্থানে আসলেই হুড়মুড় করে পড়েন ক্রেতারা। কে আগে পণ্য নেবেন এই নিয়ে অনেকটা হাতাহাতির পর্যায়ে চলে যায়। পরিস্থিতি খারাপ হলে বেশ কয়েকজনকে পণ্য দিয়ে সেখান থেকে ট্রাক চলে যায়। শত শত ক্রেতা পণ্য কিনতে না পেয়ে চলে যান।

ক্রেতাদের অভিযোগ, টিসিবির ট্রাক সময় মতো আসে না। দেরি করে ট্রাক আসছে। কারো কারো টাকা আগে নেওয়া হয়। পরে এসে আগে মাল তোলে। এই নিয়েই হুড়োহুড়ি । মূলত চাহিদার এক তৃতীয়াংশ পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে।

রংপুর স্টেশন এলাকা থেকে আসেন ছকিনা বেগম। অন্যেও বাড়িতে কাজ করা ছকিনা বেগম প্রেসক্লাবের সামনে থেকে পণ্য তুলতে তো পারেনই নাই। উল্টো তার কাছে থাকা ১ হাজার ৬০০ টাকা হারিয়ে গেছে। তিনি বলেন, মাল না দিয়ে যখন ট্রাক যাইতেছিল তখন মানুষজন দৌড়াদৌড়ি করেছিল। আমার ব্যাগে থাকা টাকা হারিয়ে যায়। ক্ষোভে দুঃখে হাউমাউ করে কান্না করেন তিনি।

টিসিবির রংপুর অফিসের প্রধান হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা আগে প্রতি ট্রাকে ২০০ করে দিতাম। এখন ৪০০ জনকে দিচ্ছি। একটি দুষ্টু চক্র ঝামেলা করছে। এছাড়াও এক এলাকার লোকজন অন্য এলাকা গিয়ে পণ্য নেওয়ার চেষ্টা করছে। এই কারণে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। এ বিষয়ে আমরা সতর্ক এবং কঠোর

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ