1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
বিদ্যুতের অযৌক্তিক মিটার রেন্ট ও ডিম্যান্ড চার্জ প্রত্যাহারের দাবি - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বার্তা সম্পাদক ফোরাম বরিশালের কমিটি গঠন উজিরপুরে সাফল্যের ধারায় ৮ মাসে ৬ বার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হলেন মোঃ রকিবুল ইসলাম নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে ববি উপাচার্যের অভিনন্দন সৌদি গিয়ে সর্বস্বান্ত, দেশে ফিরে রক্তের জন্য বেঁচে থাকা রমজান আওয়ামী লীগের দোসররা সদর উপজেলা বিএনপির নয়, কেন্দ্রের নির্দেশ অমান্য করছে! বরিশালে জমে উঠেছে বৃক্ষমেলা বাকেরগঞ্জের ডাকাতি মামলায় ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ফারুক মোল্লা গ্রেফতার চেক প্রতারণা মামলায় মানামী লঞ্চ মালিক সালামের ১ বছরের কারাদন্ড ও ৬ কোটি টাকা অর্থদন্ড আলহাজ্ব নুরুল আমিন-আব্বাস কমিটি সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপিতে পুলিশ জনগণের প্রত্যাশা অর্জন করতে পারেনি, আমরা পুলিশের আচরণ পরিবর্তনের চেষ্টা করছি-ডিআইজি
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

বিদ্যুতের অযৌক্তিক মিটার রেন্ট ও ডিম্যান্ড চার্জ প্রত্যাহারের দাবি

  • প্রকাশিত : শনিবার, ১১ মে, ২০২৪
  • ৩০৯ 0 বার সংবাদি দেখেছে

বিদ্যুতের অযৌক্তিক মিটার রেন্ট ও ডিম্যান্ড চার্জ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সামাজিক সংগঠন খুলনা নাগরিক সমাজ। খুলনা প্রেসক্লাবের সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা এ দাবি জানান। আগামী এক মাসের মধ্যে তাদের দাবি মেনে নেওয়া না হলে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা দেন তারা।

লিখিত বক্তব্যে নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব বাবুল হাওলাদার বলেন, ২০১৪ সালে প্রিপেইড মিটার স্থাপনের একটি পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করে ওজোপাডিকো। যার অধীন খুলনায় ২০১৫ সালে প্রিপেইড মিটার স্থাপনের কাজ শুরু হয়। প্রিপেইড মিটার স্থাপন কালে ওজোপাডিকো’র পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, বিনামূল্যে এ মিটার স্থাপন করা হচ্ছে।

এ বাবদ কোনো মূল্য নেয়া হবে না। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই সংস্থাটি মিটার প্রতি আবাসিক মিটারে মাসে ৪০ টাকা এবং বাণিজ্যিক মিটারে ২৫০ টাকা হারে ভাড়া গ্রহণ করা শুরু করে, যা গ্রাহকদের সাথে রীতিমতো মিথ্যাচার ও প্রতারণা।

খুলনা নাগরিক সমাজসহ অন্যান্যদের আন্দোলনের মুখে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক সংবাদ সম্মেলন করে অন্যান্য প্রতিশ্রুতির সাথে ঘোষণা করেছিলেন যে, মিটারের মূল্য সমন্বয় হওয়ার পর আর কোনো মিটার ভাড়া নেয়া হবে না।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মিটার স্থাপনের সময় আবাসিক মিটারের ক্রয়মূল্য ছিল ৩,২০০ টাকা এবং বাণিজ্যিক মিটারের মূল্য ছিল ১৪,০০০ টাকার মত। অথচ, গত ৮ বছর যাবত উল্লিখিত হারে মিটার ভাড়া নেয়া হচ্ছে, যা ক্রয়মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি নেয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়, সরকার একদিকে গ্রাহকের ব্যবহৃত বিদ্যুতের উপর ভ্যাট গ্রহণ করছে, যা সংবিধিবদ্ধ। অন্যদিকে বিদ্যুতের চার্জ বাবদ মোট চার্জ হিসেবে অর্থ নেয়ার পরও ডিম্যান্ড চার্জের নামে একটি বিশাল অঙ্কের টাকা গ্রহণ করছে সংস্থাটি। যে বিষয়টি আমাদের নিকট বোধগম্য বা গ্রহণযোগ্য নয়।

আমরা ওজোপাডিকোর প্রতি মিটার ভাড়া এবং ডিম্যান্ড চার্জ প্রত্যাহার, প্রিপেইড মিটার স্থাপনের সময় খুলে নেয়া এনালগ মিটারের জামানত/মূল্য ফেরত সমন্বয় করা আহ্বান জানাচ্ছি। চলতি মাসের মধ্যে সংস্থাটি এ ব্যাপারে গ্রাহকদের সন্তোষজনক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে বলে প্রত্যাশা করছি। অন্যথায় দাবি পূরণে লাগাতার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ