
নিউজ ডেস্ক: র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই হত্যা, ধর্ষণ, ডাকাতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্রধারী, চোরাচালান, মজুদদার, বিভিন্ন অসাধু ব্যবসায়ী ও প্রতারকচক্রসহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে জরিত অপরাধীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গেয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরণের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র্যাব ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।
র্যাব-৮, সিপিএসসি, বরিশাল এর একটি চৌকস আভিযানিক দল অদ্য ১১ মার্চ ২০২৫ ইং তারিখ সময় ১৬,৩০ ঘটিকার সময় পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া থানাধীন বড় মাছুয়া ফেরিঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া থানার চাঞ্চল্যকর ১০ (দশ) বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার ধর্ষক মোঃ কবির হাওলাদার (৪৫), পিতা-মৃত আজাহার হাওলাদার, সাং-পশ্চিম পাতাকাটা, থানা-মঠবাড়িয়া, জেলা-পিরোজপুর’কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ কবির হাওলাদার (৪৫) গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখ সকাল আনুমানিক ১০.০০ ঘটিকার সময় শিশু ভিকটিম ৪র্থ শ্রেনীর শিক্ষার্থী রাবেয়া আক্তার (১০)’কে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া থানাধীন পশ্চিম পাতাকাটা গ্রামে আসামীর নিজ বসত ঘরের বারান্দার রুমের ভিতরে নিয়ে যায়। আসামী কৌশলে রুমের দরজা বন্ধ করে ভিকটিমের হাত বেঁধে মুখ চেপে ধরে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর আসামী ধর্ষণের বিষয়টি কাউকে জানালে ভিকটিম’কে খুনের হুমকি দিয়ে ঘর হতে বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে, ভিকটিম তার পরিবারের লোকজনের নিকট ধর্ষণের বিষয়টি জানালে ঘটনাটি জানাজানি হয়।
উল্লেখিত ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন, যার মামলা নং-১৫, তারিখঃ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
উক্ত ধর্ষণের ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। ঘটনাটি র্যাব-৮, বরিশালের নজরে আসলে ধর্ষককে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে এবং ছায়াতদন্ত শুরু করে। আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আসামীর অবস্থান সনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা করে উক্ত আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া থানায় পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়।