1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
আত্মগোপনকারী ও বাবার শত্রুর মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে স্কুলছাত্রী মরিয়ম হত্যাকারী - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ইসলামী ব্যাংক-ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের রেমিটেন্স ক্যাম্পেইনে বাইসাইকেল জিতলেন গ্রাহক বরিশাল প্রেসক্লাবের অবকাঠামো উন্নয়নে বিসিসি প্রশাসক শিরীনের নির্দেশে প্রকৌশলীদের পরিদর্শন উজিরপুরে মৎস্য চাষীদের উপকরণ ও গাছের চাড়া বিতরণ করেন নির্বাহী কর্মকর্তা – মোঃ আলী সুজা উজিরপুরে দুঃস্থদের মাঝে চাল ও বিভিন্ন জাতের গাছের চাড়া বিতরণ করেন – সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু এমপি আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে চুক্তি করেছে বসিক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে বরিশাল জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয় উজিরপুরের কৃতি সন্তান আমেরিকা প্রবাসী কবির হোসেন মৃধার অকাল মৃত্যুতে এমপি সরফুদ্দিন সান্টুর শোক বরিশাল কিডস ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ফল উৎসব অনুষ্ঠিত জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বরিশাল জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত উজিরপুরের নরসিংহা আব্বাস হাজীর বাড়িতে হামলা ও ইভটিজিং-এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

আত্মগোপনকারী ও বাবার শত্রুর মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে স্কুলছাত্রী মরিয়ম হত্যাকারী

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ৯২১ 0 বার সংবাদি দেখেছে

রবিউল ইসলাম রবি, বরিশাল ব্যুরো ॥অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী মরিয়ম। ৭ জুলাই স্কুলে দিয়েছে ‘ বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচিতি’ পরীক্ষা। স্কুল থেকে বাড়ি যাবার পথে নিখোঁজ হয় মরিয়ম। মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে ৮ জুলাই থানায় সাধারণ ডাইরি দায়ের করেন মো. কবির হাওলাদার। হঠাৎ ১৮ দিন পর স্কুল ও বাড়ি আসা-যাওয়ার রাস্তার পাশে মিরাজের পরিত্যক্ত বসতঘরের সামনের ডোবায় ভেসে উঠে মরিয়মের স্কুল ব্যাগ। ২৫ ও ২৬ জুলাই পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে মরিয়মের স্কুল ব্যাগ ও এক পায়ের জুতা সহ শরীরের হাড় এবং মাথার খুলি। চলতি বছরের ওই তিন তারিখে বরিশাল বরিশাল মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাটের পূর্ব কাদিরাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ২৬ জুলাই মরিয়মের বাবা বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে কাজিরহাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এলাকার অনেকেরই ধারণা- ধর্ষণের পর মরিয়মকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। পরে লাশ গুম করার জন্য ডোবায় পানি নিচে মাটির মধ্যে ঢুকিয়ে রেখেছে। রহস্যজনক হত্যাকাণ্ডে দৈনিক আজকের সময়ের বার্তার সরেজমিন অনুসন্ধানকালে উঠে এসেছে নানা তথ্য।

নিহত মরিয়ম ১১ নং পূর্ব কাদিরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮র্ম শ্রেণীর ছাত্রী। রোল নং-১১। উপজেলার দুইটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮র্ম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদান করা হয়। অন্যান্য দিনের ন্যায় ৭ জুলাই পরীক্ষা দিতে আসে মরিয়ম। বৃষ্টির মধ্যে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসতে দেরি হওয়ায় সকাল সাড়ে দশ টায় পরীক্ষা শুরু হয় এবং দুপুর দেড়টায় শেষ হয়। স্কুলের পেছনে উত্তর দিকে থেকে বয়ে যাওয়া মাটির রাস্তার প্রায় দেড় কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হয় মরিয়মের বাড়ি।

নির্জন রাস্তা। স্কুল থেকে যাবার পথে রাস্তার ডান পাশে নেই কোন ঘরবাড়ি। রয়েছে বাগান। রাস্তার বাম পাশে শত শত গজ পর পর আলাদা আলাদাভাবে রয়েছে ৪/৫টি বাড়ি। রাস্তাটি “নীরব নিভৃতে” থাকায় আগে থেকেই এলাকার নেশাগ্রস্ত ব্যক্তিদের মাদক সেবনের একটি নিরাপদ স্পটে রূপান্তরিত হয়। প্রথম বাড়িটি হল- কালাম সরদারের (৪০)। তিনি নানা অপরাধে কারাদণ্ড ভোগ করেছে। আগে ঢাকায় বাস করতেন। সম্প্রতি গ্রামের বাড়িতে এসে পার্শ্ববতী এলাকায় ২য় বিয়ে করে বসবাস শুরু করেন। অধিকাংশ সময়ই স্ত্রী থাকেন না বাড়িতে। স্কুলের পাশেই মরিয়ম নিখোঁজের কয়েকদিন পূর্বে দিয়েছেন একটি চা-সিগারেটের দোকান। তার বসতঘরে প্রায়ই বসে মাদক সেবনের আসর।

ঘটনার দিন অর্থাৎ ৭ জুলাই ওই ৪/৫টি বাড়ির মধ্যে কালাম সরদারের স্ত্রী বসতঘরে ছিলেন না। স্কুল থেকে শুরু করে মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করা মিরাজের পরিত্যক্ত বসতঘর পর্যন্ত পথের মধ্যে রয়েছে শুধু কালাম সরদারের বসতঘর। পরিত্যক্ত তালাবদ্ধ ছোট বসতঘরে কেউ বসবাস করেন না। পর্যবেক্ষণকালে এ ঘরটিতে মানুষ প্রবেশ করারও চিহ্ন পাওয়া যায়নি। সামনের অন্য সকল বাড়িগুলোতে যৌথভাবে পরিবারের সদস্যরা বসবাস করে। তবে এরমধ্যে একটি ঘরে এক বয়স্ক লোক বাস করেন।

ঘটনার দিন মরিয়ম সময় মত বাড়িতে না ফেরায়, ওই ৪/৫টি বাড়ির আশেপাশে সহ পরিত্যক্ত বসতঘর এবং রাস্তার চারপাশের ঘটনার দিন বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মরিয়ম কে খুঁজেছিল তার পরিবারের সদস্যরা। তবে ঘটনার দিন বসতঘরের মধ্যে ঘটনার দিন হয়নি মরিয়মকে। নির্জন রাস্তায় কালাম সরদার ঘর উত্তোলনের পরই মাদক সেবনের আড্ডা পূর্বের তুলনায় আরো জমজমাট হয়ে উঠে।

এই কালাম সরদারের বিশ্বস্ত সহোযোগী হলেন- শাহিন ও হালিম। নির্জন রাস্তা ও বাগান সহ কালাম সরদারের ঘরে ইয়াবা-গাজা সেবন করেন একই গ্রামের মঞ্জু খানের ছেলে মো. রাজিব (২৫), মকবুল খানের ছেলে মুজাহিদ (২৫), মৃত. আজিদ হাওলাদারের ছেলে মিরাজ (২২), আনি হাওলাদারের ছেলে খালেক (২৫), সাইদুল খানের ছেলে রাকিব (১৯) ও নূরুল ইসলামের ছেলে জাহিদ (১৯)। একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র নিশ্চিত করে বলছে- রাজিব (২৫) কে আটক করলে পুরো ঘটনার ক্লু বেড়িয়ে আসবে।

স্কুলছাত্রী মরিয়ম নিখোঁজ হওয়ার পর এবং মরিয়মের মরদেহ উদ্ধারের পর উপরোক্ত ব্যক্তিরাই গ্রাম ছেড়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন। এরা কেউই সুনির্দিষ্টভাবে কোনোন কর্মে জড়িত নেই। সরেজমিন পরিদর্শনকালে নাম প্রকাশ না করা শর্তে অনেকেই বলেছেন- আত্মগোপনে চলে যাওয়া নেশাগ্রস্তদের আটক করে এলাকা ছাড়ার কারণ জিজ্ঞাসা করলেই বেড়িয়ে আসবে মরিয়ম হত্যার মূল রহস্য।

সূত্রটি আরো নিশ্চিত করে বলেন- ঘটনার দিন পরীক্ষার পরই মরিয়ম স্কুল থেকে রওনা হওয়ার পর পরই থেমে থেমে বৃষ্টি শুরু হয়। তখন মরিয়ম স্কুলের পেছনে বন্ধ থাকা সত্তার সরদারের মূল রহস্য সামনে একা অবস্থান নেই। কাছ থেকেই দৃশ্যটি দেখেছেন- একই গ্রামের রুবেল নামের এক যুবক, তখন তিনি পুলের ওপার (মরিয়মের যাবার পথে) দুই যুবককে বৃষ্টির মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছেন। এলাকায় লোকমুখে প্রথমে এ তথ্য ছড়িয়ে পড়লেও পরবর্তীতে রুবেল তার দেখা চোখের বিষয়গুলো অস্বীকার করতে শুরু করে বলে জানা যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুই মাস পূর্বে স্থানীয় সাবেক মেম্বার রাজ্জাক খানের বাড়ির সামনে থেকে ভংগা আজিমপুর খেয়াঘাট পর্যন্ত মাটির রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগে নেয় এলাকাবাসি। কবিরের বাড়ির সামনে থেকেই বয়ে গেছে এ রাস্তা। কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে ছিল ৫ জন। তারমধ্যে একজন মরিয়মের বাবা কবির। রাস্তার পাশ থেকে মাটি কেটে রাস্তা নির্মাণ করা হয়। এই মাটি কাট নিয়ে জয়নগর ইউনিয়নের চরসোনাপুর গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে হোসেনের রত্তন হোসেনের খান এবং একই ইউনিয়নের পূর্ব ভংগা গ্রামের মৃত. মোকলেছুর রহমানের ছেলে মো. বজলু হোসেনের (৪২) সাথে কবিরের দ্বন্দ্ব হয়। বজলুর কিছু জমি রাস্তায় চলে যায়। যে কারণে বজলু আর কবিবের মধ্যে শত্রু হয়ে যায়।

রত্তনের জমি থেকে মাটি কেটে রাস্তায় দেয়ার গালাগালি করে। যার প্রতিবাদ করায় কবিরকে বেদম মারধর করে রত্তন। আহত কবির মুলাদি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক সপ্তাহ ভর্তি ছিলেন। বজলুর বাড়ির সামনে থেকেই মরিয়মের স্কুলে আসা-যাওয়ার পথ। বজলুর বাড়িতে থাকে তার বয়স্ক মা। ঘরের একটি কক্ষে বজলু অন্য কক্ষে থাকে তার মা। আর পরিত্যক্ত রয়েছে আলাদা একটি ঘর। বজলুর ৩য় স্ত্রী থাকেন ঢাকায়। মাস

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ