
মো:এমদাদুল কাসেম সেন্টু, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা হত্যা মামলার আসামি বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ খায়রুল বাশার লিটন প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে দাপটের সহিত ঘুরে বেড়াচ্ছে নিজ এলাকায় । এযেন দেখার কেউ নেই। এতে করে জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে । তৎকালীন ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগের সরকারের ১৭ বছরে খায়রুল বাশার লিটন ঘের বানিজ্য, সংখ্যালঘুদের জমি দখল,চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন দূর্ণীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে অঢেল সম্পদ ও শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীর। স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিএনপি-জামায়াতে ইসলামি,ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশসহ একাধিক রাজনৈতিক দলের সম্মেলিত আন্দোলনের মুখে পালিয়ে ভারতে যায়। এরপর ঢাকা আশুলিয়া থানায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় আসামী হয় খায়রুল বাশার লিটন ওই এলাকার আর এক যুবলীগ নেতা। এছাড়া তার বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাৎ মামলা,সংখালঘুদের জমি দখল নিয়ে মামলাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা থাকার পরেও আওয়ামী লীগের দোসর সাতলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বিনা ভোটের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান খায়রুল বাশার লিটন এখনো গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী । এদিকে উজিরপুর থানায় ওয়ারেনট থাকা সত্যেও লিটন প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে,তার খুঁটির জোর কোথায় প্রশ্ন জনমনে? এমনকি তৎকালীন আওয়ামী লীগের আমলে লিটন বাহিনী কয়কটি সংখ্যালঘু পরিবারকে এলাকা ছাড়া করেছে। তবে শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরে মূর্তিয়মান আতঙ্ক খায়রুল বাশার লিটন বাহিনী কবল থেকে রক্ষা পেয়েছেন সংখালঘুরা। এছাড়া সাতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ ইদ্রিস সরদারের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার সঙ্গে হত্যা মামলার আসামি হয় এবং উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়ায় বিস্ফোরক মামলার আসামি ইদ্রিস সরদার ও খায়রুল বাশার লিটন, আওয়ামী লীগের সদস্য রুবেল বালি প্রকাশ্যে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে। অভিযুক্ত খায়রুল বাশার লিটন বলেন শেখ হাসিনার সাথে মামলায় আসামী হওয়া তো ভাগ্যের ব্যপার। তাকে গ্রেফতার করা হলে কোন সমস্যা নেই। সে দূর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়ে এড়িয়ে যায়। এদিকে তাদেরকে অচিরেই গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন জনগণ।