
নিজস্ব প্রতিবেদক: বরগুনা আমতলী উপজেলা চাওরা চালিত বুনিয়ার চাওরাপাতা কাটা গ্রামে হাঁস পালনকে কেন্দ্র করে একই পরিবারের তিনজনের উপর সন্ত্রাসী হামলা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলা গুরুতর আহতদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করানো হলেও অবস্থা বেগতিক দেখে সেখানের কর্তব্যরত চিকিৎসক বরিশাল শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। আহতের স্বজন মোহাম্মদ সৈকত জানান,
আমার বাবা জাকির হোসেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর সিকুরিটি ইনচার্জ। আমার বড় ভাই সোহেল মাতুব্বর সে বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর সদস্য। সে আগে চট্রগ্রামে আনসার এ চাকরি করতো বর্তমানে তিনি রেষ্টে থাকায় বাড়িতে এসে আমাদের নিজ বসত বাড়িতে ৮শ হাস পালন শুরু করেন। তবে হাস পালন করার শুরু থেকেই ওই এলাকার মৃত তোতা মিয়ার ছেলে বিএনপি নেতা পরিচয় দানকারী জহির আমার ভাইয়ের কাছে চাঁদা দাবি করে বলে যে, খালে হাস নামাতে হলে চাঁদা দিতে হবে। আমার ভাই চাদাঁ না দিতে চাইলে সে অনেক খারাপ ব্যাবহার করে বলে আমি বিএনপির বড় নেতা আমি আমার কথায় থানার পুলিশ উঠে বসে। পরে এ কথা আমার বাবা জানার পরে কালকে আমাদের বাসায় আমার বাবা ছুটি নিয়ে আসেন। পরে শুক্রবার সন্ধ্যায় আমাদের আমতলী উপজেলায় বিএনপি নেতা রাকিব ভাইয়ের কাছে গিয়ে আমার বাবা এসব বলে। তাঁরা বলছে ব্যাপারটা দেখবে। পরে শনিবার দুপুর ২টার দিকে জহির, তার ভাইয়ের ছেলে রাজিব ও রাজ্জাক, ও জহিরের মেজো ভাই নাসির আর জহিরের ভাড়া করা সন্ত্রাসী আরিফ, জুয়েল, ইব্রাহিম, মনা, সহ আরো ৫/৭ জন সন্ত্রাসী একত্রিত হয়ে কোচ, বগি দা,রামদা, রড, লোহার পাইপ, ও দেশি পিস্তল নিয়ে প্রস্তুত থাকেন। আমাদের বাড়ির একটু পাশে আমার ভাই সোহেল (৩০) আমার বাবা মো: জাকির হোসেন (৫০) ও আমার কাকা সুমন মাতুব্বর (২৫) এরা হাস পানিতে ছেড়ে বসে কথা বলছিল। তখন জহির ও তার লোকজন নিয়ে এসে আমার বাবা, কাকা ও ভাই’কে গুরুতর জখম করে। সৈকত বলেন- আমার বাবার গলায় বগিদা দিয়ে কোপ দিয়েছে, হাতে কোপ দিয়েছে। আমার ভাই এর মাথায় কোপ দিয়েছে। পিঠে অনেক জায়গায় কোপ দিয়েছে। আমার কাকার পিঠে কোপ দিয়েছে। মেরুদণ্ডে কোচ দিয়ে কুপিয়েছে। পরে আমরা আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা বাবাকে বরিশাল শেরে বাংলা হসপিটালে রেফার করেন। সৈকত বলেন- আমরা এ ঘটনা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চালাচ্ছি। আমি ও আমার পরিবার প্রশাসনের কাছে সন্ত্রাসীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবী জানাচ্ছি।