
নিজস্ব প্রতিবেদক: জমি দখল করেই থেমে যাননি, উল্টো ভুক্তভোগীরা যাতে বাধা দিতে না পারেন, সে জন্য মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা করে এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য করেছেন বলে এক প্রবাস ফেরত ব্যাক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, বরিশাল নগরীর এয়ারপোর্ট থানাধীন ২২ নং ওয়ার্ড জিয়া সড়কের বাসিন্দা মৃত আক্তার উদ্দিন মিয়ার পুত্র মিরাজ উজ্জামান মিয়া রুবেল এবং অন্যান্য কয়েক ব্যাক্তির কাছ থেকে একই এলাকার মৃত মোশারেফ হোসেনের ছেলে প্রবাস ফেরত মশিউর রহমান বিভিন্ন দাগ ( জিলা:বরিশাল, থানা:এয়ারপোর্ট,জেল. এল. নং ০৪,মৌজা – মঙ্গলহাটা, বি. এস. খতিয়ান নং ৮০৮/১০১৪/৯৮৬/৯৭৫/১০৪২/১১৩৯/৯৮২,যাহার বি. এস দাগ নং ৫৫০/৫৫২/১৪২/৫৪২/৫৪৩/১১২/১৩৬/১৪১/১৪৬/১৪৮/১৪৯/১৫৬/১৫৭/৫১৮/৫৩৩/৫৩৫/৫৩৮/৫৪১/৫৪৫/৫৪৬/৫৪৭/৫৪৯/৫৫১, মোট জমির পরিমাণ ২ একর ৩১.৭১ শতাংশ)
থেকে জমি ক্রয় করেন।কিন্তু সরজমিনে এসে মশিউর রহমান দলিলে উল্লেখিত দাগ থেকে জমি না নিয়ে রুবেলের নিজ হাতে তৈরি মাছের ঘেরসহ আশাপাশের জমি দখল করে সাইনবোর্ড টানিয়ে দেয়। এছাড়া রাতের আধারে উল্লেখিত জমিতে থাকা রুবেলের মাছের ঘের আরও বর্ধিত করে। এই ঘটনা নিয়ে স্থানীয় ভাবে শালিশ মিমাংসা হলেও তা গ্রাহ্য করছে না মশিউর রহমান গং। উল্টো, রুবেল যাতে তাদের দখল প্রক্রিয়ায় বাঁধা দিতে না পারেন, তার জন্য রুবেলসহ কয়েকজনকে আসামি করে একটা মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করে। জেলের ভয় এবং মান সন্মান রক্ষার্থে বর্তমান রুবেল পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। রুবেল মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ আইন সহায়তা কেন্দ্র ফাউন্ডেশন (বাসক) এর পরিচালক তদন্ত কেন্দ্রীয় কমিটির এব বরিশাল বিভাগীয় কমিটির সভাপতিতে হয়েও হতে হচ্ছে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির শিকার। ভুক্তভোগী রুবেল মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই পেতে প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তাদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।