
মোঃ পারভেজ হাওলাদার, বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ত্রাণ তহবিল থেকে বরাদ্দকৃত শীতবস্ত্র বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার । তিনি কম্বল বিতরণের আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে শীতবস্ত্র বিতরণ না করে নিজ হাতে অসহায় নিম্নআয়ের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নেন তার ধারাবাহিকতায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারুক আহমেদ সোমবার (৬ জানুয়ারি) দিনগত সন্ধ্যা থেকে রাত অবধি পর্যন্ত উপজেলার বেঁদে পল্লী, গ্রাম পুলিশ, উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসা, এতিমখানায় ও আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাসহ আশপাশের এলাকায়নিজ হাতে শীতবস্ত্র অসহায়দের হাতে তুলে দেন।উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারুক আহমেদের মহতি উদ্যোগে কারণে অসহায়ের মাঝে হাসি ফুটেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারুক আহমেদ বলেন, “বাবুগঞ্জ উপজেলায় প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিল থেকে ৪০০ কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। সেই শীতবস্ত্র নিয়ে আমরা শীতার্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছি। আমরা ইচ্ছা করলেই আনুষ্ঠানিকতা করে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম করতে পারতাম। কিন্তু আমার কাছে মনে হলো আনুষ্ঠানিকতা না করে অসহায়দের দ্বারে দ্বারে গিয়ে শীতবস্ত্র বিতরণ হলে সঠিকভাবে নিম্নয়ের মানুষগুলো কম্বল পাবে”।
এসময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, কাজী এনামুল হক আলীম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান স্যান্নামৎ সহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
মোঃপারভেজ হাওলাদার, বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ত্রাণ তহবিল থেকে বরাদ্দকৃত শীতবস্ত্র বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার । তিনি কম্বল বিতরণের আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে শীতবস্ত্র বিতরণ না করে নিজ হাতে অসহায় নিম্নআয়ের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নেন তার ধারাবাহিকতায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারুক আহমেদ সোমবার (৬ জানুয়ারি) দিনগত সন্ধ্যা থেকে রাত অবধি পর্যন্ত উপজেলার বেঁদে পল্লী, গ্রাম পুলিশ, উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসা, এতিমখানায় ও আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাসহ আশপাশের এলাকায়নিজ হাতে শীতবস্ত্র অসহায়দের হাতে তুলে দেন।উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারুক আহমেদের মহতি উদ্যোগে কারণে অসহায়ের মাঝে হাসি ফুটেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারুক আহমেদ বলেন, “বাবুগঞ্জ উপজেলায় প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিল থেকে ৪০০ কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। সেই শীতবস্ত্র নিয়ে আমরা শীতার্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছি। আমরা ইচ্ছা করলেই আনুষ্ঠানিকতা করে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম করতে পারতাম। কিন্তু আমার কাছে মনে হলো আনুষ্ঠানিকতা না করে অসহায়দের দ্বারে দ্বারে গিয়ে শীতবস্ত্র বিতরণ হলে সঠিকভাবে নিম্নয়ের মানুষগুলো কম্বল পাবে”।
এসময় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান, কাজী এনামুল হক আলীম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান স্যান্নামৎ সহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।