1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
ঢাকায় চাকুরি করেও বরিশালে এসে আসামি আটক করে বিতর্কে পুলিশ কনস্টেবল - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ইসলামী ব্যাংক-ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের রেমিটেন্স ক্যাম্পেইনে বাইসাইকেল জিতলেন গ্রাহক বরিশাল প্রেসক্লাবের অবকাঠামো উন্নয়নে বিসিসি প্রশাসক শিরীনের নির্দেশে প্রকৌশলীদের পরিদর্শন উজিরপুরে মৎস্য চাষীদের উপকরণ ও গাছের চাড়া বিতরণ করেন নির্বাহী কর্মকর্তা – মোঃ আলী সুজা উজিরপুরে দুঃস্থদের মাঝে চাল ও বিভিন্ন জাতের গাছের চাড়া বিতরণ করেন – সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু এমপি আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে চুক্তি করেছে বসিক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে বরিশাল জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয় উজিরপুরের কৃতি সন্তান আমেরিকা প্রবাসী কবির হোসেন মৃধার অকাল মৃত্যুতে এমপি সরফুদ্দিন সান্টুর শোক বরিশাল কিডস ক্যাম্পাসে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ফল উৎসব অনুষ্ঠিত জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বরিশাল জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত উজিরপুরের নরসিংহা আব্বাস হাজীর বাড়িতে হামলা ও ইভটিজিং-এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

ঢাকায় চাকুরি করেও বরিশালে এসে আসামি আটক করে বিতর্কে পুলিশ কনস্টেবল

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২১১ 0 বার সংবাদি দেখেছে

অনলাইন ডেস্ক :: দেশব্যাপী পুলিশের উপর নেতিবাচক ধারণা থেকে সাধারণ মানুষ যখন ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। ঠিক তখনি ভোলা থেকে বরিশালে ছুটিতে এসে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্ম দিয়েছেন হাসানুজ্জামান রাহাত নামের এক পুলিশ কনস্টেবল। রাহাতের বিপি নং ৯৩১২১৪৫৮১৭। পুলিশ কনস্টেবল হাসানুজ্জামান রাহাতের বাড়ি বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের গিলাতলী গ্রামে। তিনি গিলাতলী গ্রামের সিরাজুল ইসলাম মোল্লার ছেলে।

সূত্র বলছে- ভোলা সদর থানায় পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে রয়েছেন রাহাত। ভোলা জেলায় কর্মরত পুলিশের একজন কনস্টেবল বরিশাল নগরীতে এসে রাজনৈতিক মামলার আসামীকে মারধর করতে করতে থানায় নিয়ে যায়। তাও আবার বরিশাল আদালত প্রাঙ্গন থেকে। বিষয়টি জানাজানি হলে সমালোচনার ঝড় ওঠে নগরীজুড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়- বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত ৮ টার দিকে বরিশাল আদালত প্রাঙ্গন থেকে খান তুহিন নামের এক সাংবাদিকে মারতে মারতে কোতোয়ালি মডেল থানায় নিয়ে যায় কনস্টেবল রাহাত ও তার সহযোগীরা। এসময় পুলিশ কনস্টেবল রাহাতের সাথে ছিলো চরমোনাই ইউনিয়নের গিলাতলী গ্রামের মৃত মোবারক আলী চৌকিদারের ছেলে আরিফ চৌকিদার ও রফিকুল ইসলাম রিপনসহ ৪/৫ জনের একটি দল। এ সময় আশেপাশে থাকা লোকজন ছুটে আসলে আরিফ চৌকিদার নিজেকে বিএনপি নেতা বলে পরিচয় দিয়ে তাদের সামনে হুঙ্কার তোলেন। ফলে কেউই এগিয়ে এসে তুহিনতে রক্ষা করতে সাহস পাননি।

থানা সূত্রে জানা যায়, নগরীর কলেজ রো এলাকার বাসিন্দা বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম রিপন ৫ আগস্টের পর বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় ৯৬ জনের নাম উল্লেখ করে ও ১০০/১৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় সাংবাদিক খান তুহিনকে ৪৬ নম্বর আসামী করা হয়। কথিত রয়েছে- ওই মামলায় সাংবাদিক তুহিন খানকে কনস্টেবল রাহাত ও আরিফ চৌকিদার উদ্দেশ্যমূলক ভাবে আসামি করে। তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত বিরোধ রয়েছে বলে জানা যায়। তবে পুলিশ কনস্টেবল রাহাত ছুটিতে এসে ব্যক্তিগত বিরোধের জের ধরে ওই মামলার বাদী রিপনকে সাথে নিয়ে খান তুহিনকে আদালত প্রাঙ্গন থেকে মারতে মারতে কোতোয়ালী থানায় নিয়ে যায়।

বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম রিপনের দায়ের করা মামলায় এখন পর্যন্ত পুলিশ কোন আসামীকে গ্রেপ্তার বা গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা না চালালেও পুলিশ কনস্টেবল রাহাত ও আরিফ চৌকিদার ব্যক্তি বিরোধের ফয়দা তুলতেই এহেন কর্মকাণ্ড করেছেন বলে দাবি সাংবাদিকদের। সাংবাদিকরা তুহিন খানের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার তিব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

সাংবাদিক খান তুহিনকে মারধর করে নিয়ে যাওয়ার পুরো ঘটনা আদালতের সিসি ক্যামেরায় ধারণ রয়েছে।

ভুক্তভোগী খান তুহিন বলেন, আমি কোন রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত নই, আমি সাংবাদিকতা পেশার সাথে জড়িত। আমি বিএনপি নেতার দায়েরকৃত মামলার ঘটনার সাথে কোনভাবেই জড়িত ছিলাম না। তবুও ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে আমার একই এলাকার বাসিন্দা পুলিশ কনস্টেবল হাসানুজ্জামান রাহাত ও আরিফ চৌকিদার মামলায় উদ্দ্যেশ্যমূলকভাবে আমার নাম দিয়ে বরিশাল আদালত প্রাঙ্গনে এসে মারতে মারতে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় তাদের সাথে ছিলো ওই মামলার বাদী রিপন সহ ৪/৫ জনের একটি দল।

এ বিষয়ে ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান পাটোয়ারী বলেন- রাহাত ভোলায় কর্মরত ছিলো। গত ছয় দিন আগে ডিএমপিতে যোগাদানের ছাড়পত্র নিয়েছেন তিনি। ওসি আরও বলেন- রাহাত তো বরিশালে কর্মরত নয়। সে যে কাজটি করেছে সেটা অবশ্যই নিয়ম বহির্ভূত।

এ বিষয়ে জানতে কনস্টেবল রাহাতের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি কলটি রিসিভ করেননি।

ছুটিতে আসা একজন কনস্টেবল বরিশাল নগরীতে এসে মারতে মারতে যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী পুলিশ কমিশনার নাফিচুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমিও শুনেছি অন্য জেলায় কর্মরত একজন পুলিশ কনস্টেবল একজন সাংবাদিককে আটকে থানায় নিয়ে এসেছে ৷ এ ব্যাপারে আমি আমার সিনিয়র অফিসারদের সাথে কথা বলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ