1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী আলী আকবর গ্রেফতার - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন বরিশালে মরহুম সাংবাদিক আলতাফ হোসেন স্মরণে স্মৃতিচারণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত উজিরপুরে আইনশৃঙ্খলা সভা: দুর্গাপূজা ও মা ইলিশ রক্ষায় কঠোর নজরদারির সিদ্ধান্ত এমপি- সান্টু উজিরপুরে শহীদ জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বান এমপি – সান্টু বরিশাল সদরে দুই ইউনিয়নে দুই ভাইয়ের সার ডিলারশিপ ! উজিরপুরের হারতা স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের বই বিতরণ করেন অভিভাবক সদস্য গিয়াসউদ্দিন তালুকদার উজিরপুরে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রশাসনের প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত উজিরপুরে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন করেন ডিআইজি ও পুলিশ সুপার কুয়াকাটায় বরিশাল সম্মিলিত সাংবাদিক ফোরামের ৩য় বর্ষপূর্তি ও আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত উজিরপুর প্রেস ক্লাবের নতুন কমিটি, সভাপতি লিটন সম্পাদক সেন্টু
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী আলী আকবর গ্রেফতার

  • প্রকাশিত : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭৭ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিনিধি: মাদারীপুর সদর উপজেলার উত্তর ঝিকরহাটি গ্রামে যৌতুকের দাবিতে মারপিট করে স্ত্রী সুমি আক্তারকে হত্যার অভিযোগে তার স্বামী আলী আকবর হাওলাদারকে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৮, সিপিসি-৩, মাদারীপুর ক্যাম্প।

গ্রেফতার আলী আকবর হাওলাদার (৩০) মাদারীপুর সদর উপজেলার উত্তর ঝিকরহাটি গ্রামের ইরান হাওলাদারের ছেলে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে মাদারীপুর সদর থানার পাঁচখোলা ইউনিয়নের পাঁচখোলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে সুমি আক্তারের সঙ্গে আলী আকবর হাওলাদারের বিয়ে হয়। অভিযোগ রয়েছে, আলী আকবর নেশাগ্রস্ত হওয়ায় বিভিন্ন সময় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ৭টার দিকে সুমি আক্তার তার ভাই সজিব মোল্লাকে ফোন করে জানান, যৌতুকের টাকার জন্য তাকে মারধর করা হয়েছে এবং টাকা না দিলে তাকে হত্যা করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। একই রাতে আনুমানিক ১১টার দিকে আলী আকবর ফোন করে সুমির অসুস্থতার কথা জানান।
পরদিন ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সুমির ভাই সজিব মোল্লা, মা রুনা বেগম ও বড় বোন নাজমা বেগম অভিযুক্তের বাড়িতে গিয়ে সুমি আক্তারকে বসতঘরে মৃত অবস্থায় দেখতে পান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় তার বাম পাশের থুতনির নিচে গভীর ছিলা দাগ এবং গলার ডান পাশে কালো দাগ দেখা যায় বলে মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে।
এ ঘটনায় সুমির ভাই মো. সজিব মোল্লার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ১৫ সেপ্টেম্বর মাদারীপুর সদর থানায় মামলা করা হয়। মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ১১(ক)/৩০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
ঘটনাটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত হওয়ার পর মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় এসআরবি-৮, সিপিসি-৩, মাদারীপুর ক্যাম্পের একটি দল ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর আসামি আলী আকবর হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাদারীপুর সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি-৮।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ