1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি'র উপাচার্য'র পদত্যাগ - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
যাত্রীর ছদ্মবেশে ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার উজিরপুরে গাজা সেবী আর এক গাজা সেবীর ১৪ বছরে কিশোরী কন্যাকে বিয়ে, এলাকায় তোলপাড় বরিশাল সংস্কৃতিকেন্দ্রের ৩৬ জুলাই সেমিনার পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি থেকে রাজনৈতিক অস্থিরতা: কোথায় যাচ্ছে বাংলাদেশ? গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের ওপর হামলা, জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের নিন্দা ১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি র‍্যাব-৮ এর অভিযানে গ্রেফতার বরিশালে সন্তানের সামনে বৃদ্ধা মাকে কুপিয়ে জখম। থানায় অভিযোগ লাকুটিয়া খাল খনন ছাড়াই ফেরত গেল কোটি কোটি টাকার সরকারি বরাদ্দ ডাকাতের কবলে সাংবাদিক নেতারা, থানায় অভিযোগ দ্রুত একটা গ্রহণযোগ্য গণমাধ্যম কমিশন গঠন হবে: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি’র উপাচার্য’র পদত্যাগ

  • প্রকাশিত : রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৩৮৭ 0 বার সংবাদি দেখেছে
Oplus_131072

নিউজ ডেস্ক: ৭ই ডিসেম্বর ২০২৪ ইং, গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর উপাচার্য প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান তাঁর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। ২০১৯ সালে প্রথমবার নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে ২০২৩ সালে পুনঃনিয়োগ পাওয়ার পর, তাঁর সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য কার্যত কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ দেখা যায়নি। বরং তাঁর দায়িত্ব পালনে অনিয়ম, সিদ্ধান্ত গ্রহণে অযোগ্যতা এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও মান উন্নয়নে ব্যর্থতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশকে বারবার অস্থিতিশীল করে তুলেছে।

গত ১৫ আগস্ট, ২০২৪ ভাইস চ্যান্সেলর তার হঠকারী সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কোনো কারণ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেন এবং শিক্ষার্থীদের আন্দোলন এর মুখে তিনি তার এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করেন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মানোন্নয়নের জন্য শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত প্রয়োজনীয় কিছু দাবি যা তিনি দ্রুত বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেন এবং শিক্ষার্থীরা তাকে সময় দেন। তবে তিনি সেগুলো পূরণে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হন।

এরপর শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ আনতে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে দিয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তেজনা বাড়ান। এ ঘটনার তদন্তে কিছু শিক্ষার্থীকে অভিযুক্ত পেয়ে কমিটি কর্তৃক শাস্তির সুপারিশ করা হলেও, উপাচার্য পক্ষপাতমূলকভাবে সেই সুপারিশ হোয়াটস এপের মাধ্যমে স্থগিত করেন। এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয়ের মধ্যেই তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি করে।

উপাচার্যের নিয়মিত উপস্থিতি ও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রেও গুরুতর অবহেলা দেখা যায়। তিনি পূর্বেও বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত হতেন না। শিক্ষার্থী আন্দোলনের পর ক্যাম্পাসে প্রতি সপ্তাহে তিন দিন উপস্থিত থাকার প্রতিশ্রুতি দিলেও, তিনি গত দেড় মাসে মাত্র তিন দিন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বশরীরে উপস্থিত ছিলেন। অধিকাংশ সময় তিনি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন, যা তাঁর দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের উদাহরণ।

এছাড়া, তাঁর সময়ে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশের অবনতি ঘটে এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীর সংখ্যা হ্রাস পায়। শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো কিংবা অবকাঠামোগত উন্নয়নের কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ তিনি নেননি। বরং তিনি বহিরাগতদের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও শিক্ষককে হুমকি দেওয়ার পরিবেশ তৈরি করেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুশাসনের জন্য ক্ষতিকর।

অবশেষে, শিক্ষার্থীরা ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে তাঁর পদত্যাগ দাবি করে। আলটিমেটামের সময়সীমা পেরিয়ে গেলে শিক্ষার্থীরা “টোটাল স্ট্রাইক” ঘোষণা করে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সম্মিলিত প্রতিবাদের মুখে, উপাচার্য অবশেষে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রারের কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র পাঠান।

এই পদত্যাগ শুধু শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিজয় নয়, এটি একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট সবাই এখন একটি দায়িত্বশীল, স্বচ্ছ এবং দক্ষ নেতৃত্বের প্রত্যাশা করছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের মানোন্নয়ন এবং পরিবেশের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ