1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
ব্যাংকের সুদের টাকা কী করবেন? - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা বরিশাল জেলা কমিটি অনুমোদন সাংবাদিকতা পেশার অস্তিত্ব রক্ষায় অবিলম্বে গণমাধ্যম কমিশন গঠন করুন বরিশালে রিহ্যাব হেলথ কেয়ার এন্ড নার্সিং হোম এর শুভ উদ্বোধন যাত্রীর ছদ্মবেশে ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার উজিরপুরে গাজা সেবী আর এক গাজা সেবীর ১৪ বছরে কিশোরী কন্যাকে বিয়ে, এলাকায় তোলপাড় বরিশাল সংস্কৃতিকেন্দ্রের ৩৬ জুলাই সেমিনার পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি থেকে রাজনৈতিক অস্থিরতা: কোথায় যাচ্ছে বাংলাদেশ? গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের ওপর হামলা, জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের নিন্দা ১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি র‍্যাব-৮ এর অভিযানে গ্রেফতার বরিশালে সন্তানের সামনে বৃদ্ধা মাকে কুপিয়ে জখম। থানায় অভিযোগ
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

ব্যাংকের সুদের টাকা কী করবেন?

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ, ২০২৪
  • ৩৪৭ 0 বার সংবাদি দেখেছে

আল্লাহ তাআলা ব্যবসাকে হালাল করেছেন ও সুদকে হারাম করেছেন। কুরআনে কারিমের বিভিন্ন আয়াতে ও হাদিসে নববীর অসংখ্য বর্ণনায় স্পষ্ট ভাষায় সুদ হারাম ঘোষণা করা হয়েছে।

ইসলামী শরিয়তে সুদ হারাম হওয়ার ইল্লত হলো, মূল্যের ওপর শর্তসাপেক্ষে বিনা বিনিময়ে নির্ধারিত মুনাফা লাভ করা। অন্যদিকে হেকমত হচ্ছে, সব সম্পদ যেন ধনীদের হাতে পুঞ্জীভূত না হয়ে যায় এবং গরিবরা নিঃস্ব থেকে নিঃস্বতর না হয়ে পড়ে।

এ বিষয়টি সবাই জানে যে সুদ হারাম। সেটি ব্যাংক থেকে হোক বা যে কোনো কিছু থেকে হোক সেটি হারাম। যেখানে সুদের কারবার হয়ে থাকে এই ধরনের সমিতিতে চাকরি করাও জায়েজ নেই। সুতরাং সুদের টাকা দ্বারা কোনোভাবে উপকৃত হওয়া যাবে না।

অ্যাকাউন্টের অতিরিক্ত টাকা জনকল্যাণমূলক কাজে খরচ করার নিয়তেও প্রচলিত সুদী ব্যাংকে সঞ্চয়ী বা মেয়াদী হিসাব খোলা জায়েজ হবে না। কেননা সুদী ব্যাংকে এ ধরনের একাউন্ট খুলতে হলে সুদী চুক্তিতে আবদ্ধ হতে হয়। তাই সঞ্চয়ী হিসাবে টাকা জমা রাখার বিশেষ প্রয়োজন হলে প্রচলিত ইসলামী ব্যাংকগুলোতে রেখে প্রাপ্ত মুনাফা গরীব-মিসকিনদের মাঝে বণ্টন করে দিতে হবে।

ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত সুদ গরীব-মিসকীনদের মাঝে বণ্টন করে দিতে হবে। এর দ্বারা অন্য ব্যাংক বা অ্যাকাউন্টের সুদ পরিশোধ করা বৈধ হবে না।

কখনো কখনো নিরুপায় হয়ে সুদভিত্তিক ব্যাংকের সহায়তা নিতে বাধ্য হয়। যেমন—সেলারি অ্যাকাউন্ট। সরকারি ও বেসরকারি বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাধারণত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সরাসরি হাতে হাতে দেওয়া হয় না। বরং ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া হয়। সে জন্য কোনো ব্যাংকে প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নামে পৃথক পৃথক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়।

প্রতিষ্ঠান প্রতি মাসের নির্দিষ্ট তারিখে প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে তার বেতন-ভাতা জমা দিয়ে দেয়। এরপর কর্মচারীরা ব্যাংকে গেলেই সবাই নিজ নিজ বেতন ওঠাতে পারে। এই অ্যাকাউন্ট যেহেতু সেভিংস অ্যাকাউন্ট হয়, ফলে ইচ্ছা না থাকলেও তাদের অ্যাকাউন্টে সুদের অর্থ চলে আসে।

এখানে করণীয় হলো, প্রতি মাসে সেলারি অ্যাকাউন্টে বেতনের অর্থ আসা মাত্র তা তুলে শরিয়া মোতাবেক পরিচালিত কোনো ব্যাংকে রেখে দেবে। যদি নিজের কাজে ক্যাশ রাখার কোনো নিরাপদ ব্যবস্থা থাকে সেটা আরও ভালো। কিন্তু এর পরও যদি বছর শেষে তার অ্যাকাউন্টে কোনো সুদ চলে আসে, তবে সে ক্ষেত্রে অবশ্যই সেই টাকা সুদদাতাকে ফেরত দিতে হবে। (ফাতাওয়ায়ে ফকিহুল মিল্লাত: ১০/১২৪)

কিন্তু ব্যাংকের ক্ষেত্রে যেহেতু নির্দিষ্ট সুদদাতা বের করা অসম্ভব, তাই সওয়াবের নিয়ত না করে কোনো জাকাত খাওয়ার উপযুক্ত মিসকিনকে তা দান করে দিতে হবে। (আহসানুল ফাতাওয়া : ৭/১৬, ফাতাওয়ায়ে ফকিহুল মিল্লাত: ১০/১২৬)

কোনো অবস্থাতেই সেই টাকা মসজিদ, মাদরাসা বা কোনো জনকল্যাণমূলক কাজ (যেমন রাস্তাঘাট নির্মাণ, পাবলিক টয়লেট নির্মাণ) ইত্যাদিতে খরচ করা যাবে না। (ইমদাদুল মুফতিন, পৃ. ৫৮৬, ফাতাওয়ায়ে ফকিহুল মিল্লাত: ১০/১৩১)

 

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ