1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
উজিরপুরে শালিষ বৈঠকে ২ লক্ষ টাকা উৎকোচের অভিযোগ - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশালে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত উজিরপুর হারতা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হিসাবে রফিকুল ইসলামের বিকল্প নাই  উজিরপুরে ব্যাপক আয়োজনে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত উজিরপুরে মতবিনিময় সভায় সরকারি সকল দপ্তরের কর্মকর্তাদের সহোযোগিতা কামনা করেন এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু – এমপি উজিরপুর আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত উজিরপুরের গুঠিয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের পিতার মৃত্যুতে সংসদ সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু সহ ভিবিন্ন মহলের শোক উজিরপুর পৌরসভার উন্নয়নে মেয়র হিসেবে শহিদুল ইসলাম খানের বিকল্প নাই  শেবাচিমে কুরআন বিতরণ ও রমাদান সেমিনার অনুষ্ঠিত তাকওয়া অর্জনের মাধ্যমেই সর্বস্তরে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা সম্ভব -মাওলানা আবদুল জব্বার লালমোহন শাহবাজপুর রেসিডেনসিয়াল মাদরাসার প্রথম বছরেই ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি লাভ
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

উজিরপুরে শালিষ বৈঠকে ২ লক্ষ টাকা উৎকোচের অভিযোগ

  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৩৬৬ 0 বার সংবাদি দেখেছে

 

উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নের হস্তিশুন্ড ফাজিল মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক মোঃ মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ২ লক্ষ টাকা উৎকোচের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। সুত্রে জানা যায় খোলনা গ্রামের সুলতান হাওলাদারের মেয়ে ফাতেমা বেগমের আশুকাঠী গ্রামের শাহজামান নামের এক ব্যবসাীয়র সাথে সামাজিক ভাবে বিবাহ হয়েছিল। কিছু দিন যেতে না যেতেই স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের অবনতি হয়। একপর্যায়ে গত বুধবার উভয়কে নিয়ে ইদগাঁহ বাজার নামক স্থানে শালিষ বৈঠক হয়। উক্ত শালিষ বৈঠকে প্রধান শালিষ মনিরুল ইসলাম মাষ্টার ৪ লক্ষ টাকার বিনিময়ে খোলা তালাকের রায় প্রদান করেন এবং নগদ টাকা শালিষ বৈঠকে জমা নিয়ে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এ ব্যপারে ফাতেমা বেগমের ভাই রানা হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন মাদ্রাসা শিক্ষক মোঃ মনিরুল ইসলাম আমার বোনের কাছে ২ লক্ষ টাকা দিয়ে বাকি ২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। এরপর এক লক্ষ টাকা ফেরত চাইলে আমাকে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়। তার ভয়ে এলাকার কেউ মুখ খুলেছেনা। এদিকে মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিডিও বিভিন্ন মোবাইল ফোনে ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়াও কিছু দিন পূর্বে আলমগীর গোমস্তাকে মাদ্রাসার অফিস কক্ষে প্রকাশ্যে মারধর করার জন্য তেড়ে আসে এবং বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়। এমনকি দুই মাস পূর্বের মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বেত্রাঘাত করে অভিভাবকদের তোপের মুখে পড়েছিল। রানা হাওলাদারসহ এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, মনিরুল ইসলাম মাষ্টার মাদ্রাসা ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন স্থানে শালিষি করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে নিজের আখের গোছাচ্ছে। ক্ষমতার দাপটে সে সীমাহীন দুর্নীতি ও অনিয়মের সাথে জড়িত থেকেও কোন না কোন ভাবে পাড় পেয়ে যাচ্ছেন। যেন দেখার কেউ কেউ নেই। তার অপরাধের মাত্রা চরমে পৌঁছেছে। অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ মনিরুল ইসলাম মাষ্টার, বিষয়টি ভিত্তিহীন বলে ব এড়িয়ে যান। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবিএম জাহিদুল ইসলাম জানান বিষয়টি জানা নেই, তবে খতিয়ে দেখা হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ