
মোঃএমদাদুল কাসেম সেন্টু,উজিরপুর প্রতিনিধি : বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সন্ধ্যা নদীতে ৮/১০ জন ডাকাত দল স্পিডবোডে এসে নদীতে একটি চলন্ত ট্রলারকে গতিরোধ করে ট্রলারে থাকা কর্মচারীদেরকে প্রশাসনের লোক পরিচয় দিয়ে ভয় ভীতি প্রদর্শন করে জোরপূর্বক নগদ টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২৮ সেপ্টেম্বর শনিবার দিবাগত রাত ৩ টা থেকে রাত সাড়ে ৩ টার সময় উজিরপুর থানাধীন দাসের হাট সন্ধ্যা নদীর মাঝখানে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।।সুত্রে জানাযায় উজিরপুর উপজেলার দাশের হাট সন্ধ্যা নদীতে অজ্ঞাতনামা ৮/১০ জন জলদস্যু স্পিডবোডে এসে মালামাল পরিবহনের একটি চলন্ত বড় ট্রলার কে গতিরোধ করে ট্রলারে থাকা লোকজদের বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে তাদের নিকট হতে নগদ ৪৫ হাজার টাকা ও ২ টি মোবাইল জোরপূর্বক নিয়ে যায় বলে জানাযায়। আরো জানা যায় যে, ঢাকা হতে তৈল, আটা ও চিনি বোঝাই হালিমাতুস সাদিয়া নামক একটি বড় ট্রলার বরিশাল জেলার বানারীপাড়া থানা বন্দর এলাকায় মালামাল আনলোড শেষে রাত অনুমান ২ টার দিকে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা করে রাত অনুমান ৩ ঘটিকায় উজিরপুর থানাধীন সন্ধ্যা নদীর দাসের হাটের সীমানায় পৌঁছালে একটি স্পিডবোট করে অজ্ঞাতনামা ৮/১০জন ডাকাত এসে ট্রলারে থাকা কর্মচারীদের প্রশাসনের লোক পরিচয় দিয়ে চলন্ত ট্রলারটি গতিরোধ করে থামায়। পরবর্তীতে ট্রলারে থাকা কর্মচারী মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৮), মোঃ আক্তার হোসেন(৩০), মোঃ দেলোয়ার হোসেন (৩২), মোঃ শরিফ (২৮), গ্রাম- দক্ষিণ তারাবুনিয়া, থানা – সখিপুর, জেলা – শরীয়তপুর তাদেরকে খুন – জখমের ভয় ভীতি প্রদর্শন করে তাদের নিকট থাকা অনুমান ৪৫হাজার টাকা এবং ২ টি মোবাইল ফোন জোরপূর্বক নিয়ে যায়। ট্রলারে থাকা কর্মচারীদের কেউ মারপিটের শিকার বা আহত হয়নি মর্মে জানা যায়। অজ্ঞাতনামা ডাকাতদের ৩/৪ জন মাস্ক পড়া ছিল বলে জানা যায়। ডাকাতদের হাতে দা, চাকু ও শাবল ছিল মর্মে জানায় কর্মচারীরা। ট্রলার সহ ট্রলারে থাকা কর্মচারীরা ঢাকায় চলে গেছে বলে জানা যায়। উজিরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সালাম জানান আমি সংবাদ পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে ছিলাম। আমাদের কাছে কেউ অভিযোগ দেয়নি অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্হা নেয়া হবে ।