1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
আজ ৫ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার মুক্ত হয়েছিল বরিশালের উজিরপুর - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশাল প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের মিলনমেলায় তালাশ বিডির দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন উজিরপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা কাদায় আটকে গেলেন ইউএনও, তবুও থামেননি পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড. মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ উজিরপুরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২) এবং নতুন কুঁড়ি অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন উজিরপুরে হা-ডু-ডু ফাইনালে শিমুলতলার জয়, পুরস্কার তুলে দিলেন এমপি – সান্টু কবিরাজির আড়ালে কিশোরীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ, প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতার বাকেরগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি রিমন, সম্পাদক মোর্শেদ,সাংগঠনিক বেলাল উজিরপুরে বিএনপি ও এমপি সান্টুকে নিয়ে উদ্দেশ্য প্রোণোদিত অপপ্রচাররের বিরুদ্ধে উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন উজিরপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্রেস্ট ফিডিং কর্ণার শুভ উদ্বোধন করেন শরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু – এমপি
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

আজ ৫ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার মুক্ত হয়েছিল বরিশালের উজিরপুর

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২৮১ 0 বার সংবাদি দেখেছে
Oplus_131072

 

মো: এমদাদুল কাসেম সেন্টু, উজিরপুর প্রতিনিধি
আজ ৫ই ডিসেম্বর বরিশালের উজিরপুর উপজেলা পাকিস্তানি হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে উজিরপুরের মুক্তিপাগল দেশ প্রেমিকরা তাদের মাটি থেকে পাক হানাদার বাহিনীকে বিতাড়িত করে জন্মস্থানকে শত্রু মুক্ত করে বিজয়ের পতাকা নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছিলো নিজ নিজ গ্রামে। দেশ শত্রু মুক্ত হওয়ায় এই দিনটিতে পুরো উজিরপুর জুড়ে ছিল আনন্দের জোয়ারে প্লাবিত। মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একাংশ ৯নং সেক্টর কমান্ডার মেজর এম এ জলিলের নেতৃত্বে ৯ নং সেক্টরের হেড কোয়ার্টার হিসেবে উজিরপুর উপজেলার বড়াকোঠা ইউনিয়নের দরগাবাড়ি থেকে যুদ্ধ পরিচালিত হতো। সে কারণে পাক হানাদার বাহিনীর মূল টার্গেট ছিল উজিরপুর। যুদ্ধের সময় পাক হানাদার ও তাদের দোসররা এ অঞ্চলেরও বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষকে গণহত্যা করেছিল।
বিজয়ের প্রায় ২ মাস আগে ১৭ অক্টোবর দরগাবাড়ি মুক্তিযোদ্ধাদের ঘাটিতে আক্রমন চালাতে গিয়ে ওই এলাকার আশপাশের গ্রাম গুলোতে নারকীয় তান্ডব চালায় ঘাতক পাক-হানাদার বাহিনী। তাদের হাত থেকে রক্ষা পায়নি মায়ের কোলে থাকা দেড় মাসের শিশু আনারকলি। মায়ের কোল থেকে ওই শিশুটিকে ছিনিয়ে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল।
একই দিনে ৭১ জন গ্রামবাসীকে গণহত্যা করেছিল পাক-সেনারা। এ সময় ঐতিহ্যবাহী ধামুড়া বন্দরসহ বেশ কয়েকটি বাজারে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় শত শত দোকানঘর। অসংখ্য নারীর উপর চালায় যৌন নির্যাতন। অবশেষে সারাদেশের চুড়ান্ত বিজয়ের ১১ দিন আগে ৫ ডিসেম্বর বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে উজিরপুরকে শত্রু মুক্ত করে।
মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে বেঁচে যাওয়া ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনা এবং ৩৫ জন রাজাকার আলবদর এদিনে কাক ডাকা ভোরে বেইজ কমান্ডার আব্দুল ওয়াদুদ সরদারের কাছে আত্মসমর্পণ করলে উজিরপুরের দামাল ছেলেরা আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তিযুদ্ধের সমাপ্তি করে উজিরপুরকে শত্রু মুক্ত করে। আত্মসমর্পণকারী রাজাকারদের কয়েকদিন পর কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা বরিশালে হস্তান্তর করে। আর এরই মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি হানাদার মুক্ত হয় বরিশালের উজিরপুর উপজেলা ।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ