1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
আজ ৫ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার মুক্ত হয়েছিল বরিশালের উজিরপুর - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৭:০৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বরিশাল জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত উজিরপুরের নরসিংহা আব্বাস হাজীর বাড়িতে হামলা ও ইভটিজিং-এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন উজিরপুরে দেশীয় প্রজাতির পোনা মাছ অবমুক্ত করেন-এসিল্যান্ড মহেশ্বর মন্ডল উজিরপুর পৌরসভায় শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপন কর্মসুচির শুভ উদ্বোধন করেন-এসিল্যান্ড মহেশ্বর মন্ডল উজিরপুরে নরসিংহা ৫১ নং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি দখলের প্রতিবাদে শিক্ষার্থী ও এলাকা বাসীর মানববন্ধন বরিশাল শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীকে নিয়ে ফের অপপ্রচার দলীয় নেতৃবৃন্দের সময়োপযোগী উপযুক্ত মূল্যায়ন চাই বরিশালে ১৩ ব্যরেল অবৈধ রেনুপোনা জব্দ, নদীতে অবমুক্ত উজিরপুরের ব্র‍্যাক এর উদ্যোগে কিশোরীদের বিনামূল্যে হাঁস, মুরগির বাঁচ্চা বিতরণ ও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত চাঞ্চল্যকর নমিতা রানী হত্যা মামলার মূলহোতা কামাল পঞ্চায়েত গ্রেফতার
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

আজ ৫ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার মুক্ত হয়েছিল বরিশালের উজিরপুর

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২৩৫ 0 বার সংবাদি দেখেছে
Oplus_131072

 

মো: এমদাদুল কাসেম সেন্টু, উজিরপুর প্রতিনিধি
আজ ৫ই ডিসেম্বর বরিশালের উজিরপুর উপজেলা পাকিস্তানি হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে উজিরপুরের মুক্তিপাগল দেশ প্রেমিকরা তাদের মাটি থেকে পাক হানাদার বাহিনীকে বিতাড়িত করে জন্মস্থানকে শত্রু মুক্ত করে বিজয়ের পতাকা নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছিলো নিজ নিজ গ্রামে। দেশ শত্রু মুক্ত হওয়ায় এই দিনটিতে পুরো উজিরপুর জুড়ে ছিল আনন্দের জোয়ারে প্লাবিত। মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একাংশ ৯নং সেক্টর কমান্ডার মেজর এম এ জলিলের নেতৃত্বে ৯ নং সেক্টরের হেড কোয়ার্টার হিসেবে উজিরপুর উপজেলার বড়াকোঠা ইউনিয়নের দরগাবাড়ি থেকে যুদ্ধ পরিচালিত হতো। সে কারণে পাক হানাদার বাহিনীর মূল টার্গেট ছিল উজিরপুর। যুদ্ধের সময় পাক হানাদার ও তাদের দোসররা এ অঞ্চলেরও বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষকে গণহত্যা করেছিল।
বিজয়ের প্রায় ২ মাস আগে ১৭ অক্টোবর দরগাবাড়ি মুক্তিযোদ্ধাদের ঘাটিতে আক্রমন চালাতে গিয়ে ওই এলাকার আশপাশের গ্রাম গুলোতে নারকীয় তান্ডব চালায় ঘাতক পাক-হানাদার বাহিনী। তাদের হাত থেকে রক্ষা পায়নি মায়ের কোলে থাকা দেড় মাসের শিশু আনারকলি। মায়ের কোল থেকে ওই শিশুটিকে ছিনিয়ে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল।
একই দিনে ৭১ জন গ্রামবাসীকে গণহত্যা করেছিল পাক-সেনারা। এ সময় ঐতিহ্যবাহী ধামুড়া বন্দরসহ বেশ কয়েকটি বাজারে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় শত শত দোকানঘর। অসংখ্য নারীর উপর চালায় যৌন নির্যাতন। অবশেষে সারাদেশের চুড়ান্ত বিজয়ের ১১ দিন আগে ৫ ডিসেম্বর বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে উজিরপুরকে শত্রু মুক্ত করে।
মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে বেঁচে যাওয়া ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনা এবং ৩৫ জন রাজাকার আলবদর এদিনে কাক ডাকা ভোরে বেইজ কমান্ডার আব্দুল ওয়াদুদ সরদারের কাছে আত্মসমর্পণ করলে উজিরপুরের দামাল ছেলেরা আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তিযুদ্ধের সমাপ্তি করে উজিরপুরকে শত্রু মুক্ত করে। আত্মসমর্পণকারী রাজাকারদের কয়েকদিন পর কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা বরিশালে হস্তান্তর করে। আর এরই মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি হানাদার মুক্ত হয় বরিশালের উজিরপুর উপজেলা ।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ