1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
তুরাগ তীরে স্বেচ্ছাশ্রমে চলছে শেষ মুহূর্তের কাজ - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নেছারাবাদে ৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার উজিরপুরে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী সন্ত্রাস নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে শ্রমিকদলের বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি নুরুজ্জামান গ্রেফতার উজিরপুরে আওয়ামীলীগের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে যুবদলের বিক্ষোভ ও সমাবেশ উজিরপুরে হতদরিদ্রদের অটো ভ্যান প্রদান করেন ইউএনও- মোঃ আলী সুজা পরকীয়ার অভিযোগে ভাঙনের মুখে ৮ বছরের সংসার বাবার স্নেহবঞ্চিত দুই শিশু, ২ সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে মানববন্ধন উজিরপুরে নতুন এসিল্যান্ড উম্মে সালমা খানুন এর যোগদান, ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জের দায়িত্ব পেলেন ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম বাকেরগঞ্জের কলসকাঠীতে আলোচনা সভা, দোয়া ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

তুরাগ তীরে স্বেচ্ছাশ্রমে চলছে শেষ মুহূর্তের কাজ

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩১৬ 0 বার সংবাদি দেখেছে

গাজীপুরে টঙ্গীর তুরাগ তীরে মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম গণজমায়েত ৫৭তম বিশ্ব ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হবে আগামী ২ থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি এবং দ্বিতীয় পর্ব আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ৯ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি টঙ্গীর তুরাগ তীরে।

বিশ্ব ইজতেমা সফল করতে স্বেচ্ছাশ্রমে চলছে ময়দান প্রস্তুতে শেষ মুহূর্তের কাজ। গাজীপুর, ঢাকা ও আশপাশের এলাকা থেকে তাবলীগ জামাতের সাথিরা ও সর্বস্তরের মানুষ সম্মিলিতভাবে এসব কাজ করছেন। শীত মাড়িয়ে এবার দেশ বিদেশের ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিদের আগমন বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার (২০ জানুয়ারি) টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে গিয়ে দেখা যায়, পুরোদমে এগিয়ে চলছে প্রস্তুতির কাজ। কেউ ইজতেমা ময়দানে নামাজের দাগ কাটছেন, কেউ বিদ্যুত সংযোগের কাজ করছেন, কেউ প্যান্ডেলের চট সেলাই করছেন,কেউ করছেন খুঁটির ওপর চট টাঙানোর কাজ।

আবারে অনেককে ময়দান পরিষ্কার করতে দেখা গেছে। মঞ্চ তৈরির কাজেও ব্যস্ত ছিলেন অনেকে। বিদেশি মুসল্লিদের জন্য তৈরি করা হচ্ছে কামরা। এসব কাজে বৃদ্ধ ও যুবকসহ বিভিন্ন বয়সের মুসল্লিরা স্বেচ্ছাশ্রমে অংশ নিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকায় বিভিন্ন শিল্প কারখানার শ্রমিকেরাও এসেছেন স্বেচ্ছায় ইজতেমার কাজে অংশ নিতে।

প্রথম পর্বের ইজতেমায় মাওলানা জোবায়ের পক্ষের লোকজন অংশ নিবে। দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমায় ওয়াসেক পক্ষের লোকজন অংশ নিবে। টঙ্গী তুরাগ নদীর তীরে বিশাল এই ময়দানে তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমা ১৯৬৭ সাল থেকে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। গত ২০১১ সাল থেকে বিশ্ব ইজতেমা দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ভারতের প্রখ্যাত মাওলানা ও তাবলিগের শীর্ষ মুরুব্বি মাওলানা সাদের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ২০১৮ সালে বিশ্ব ইজতেমার আয়োজকদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি হয়। এরপর থেকে দুই গ্রুপ দুই পর্বে ইজতেমায় অংশ নিচ্ছেন প্রতিবছর। একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, ভারতের মাওলানা সাদ অনুসারীরা, অপরটির নেতৃত্বে বাংলাদেশের আলেম ওলামাদের মাওলানা যোবায়ের অনুসারী গ্রুপ।
বিশ্ব ইজতেমা মাঠ ঘুরে দেখা যায়, ময়দানের পশ্চিম পাশে তুরাগ নদীর পূর্বপাড়ে নামাজের মিম্বর এবং উত্তর পশ্চিম কোনায় বিদেশি মেহমানদের জন্য নির্ধারিত কামরার পাশে বয়ান মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া সামিয়ানা টানানো,বিদ্যুৎ ও মাইক সংযোগের জন্য তার টানানোসহ তাশকিল কামরা, জুড়নেওয়ালি জামাতের কামরা, অসহায়প্রতিবন্ধীদের বয়ান শোনার জন্য পৃথক কামরা তৈরি করা হয়েছে। ১৬০ একর জায়গায় বিশাল সামিয়ানা টানানোর কাজ প্রায় শেষ। বিশাল ময়দানে খিত্তাভিত্তিক মাইক বাঁধা এবং বৈদ্যুতিক লাইট টানানোর কাজ শেষ হয়েছে। বিশ্ব ইজতেমাকে ঘিরে টঙ্গী ও আশপাশ এলাকায় ধর্মীয় উৎসব আমেজ বিরাজ করছে।

প্রতি বছর ইজতেমায় ঢাকা জেলার সাথীরা তাদের জন্য নির্ধারিত খিত্তার কাজ করে থাকেন। এবারও শুধু ঢাকা জেলার মুসল্লিদের জন্য নির্ধারিত খিত্তার স্থান বাদে অন্য সব কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ইজতেমা মাঠের সামিয়ানা, আন্তর্জাতিক নিবাস ও আশপাশের সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্থানীয় ডেসকোর কয়েকটি টিম কাজ করছে বলে জানা যায়। মুসল্লিদের নিরাপত্তায় পুরো ময়দানে প্রায় ৩০০ ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানো হয়েছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কমিশনার মাহবুব আলম বলেন, ইজতেমার সার্বিক নিরাপত্তায় সাড়ে ৭ হাজার পুলিশ মোতায়েন থাকবে। সিসিটিভি ক্যামেরা, ওয়াচ টাওয়ার ও রুফটপ থেকে পুরো ইজতেমা ময়দানের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করা হবে। এ ছাড়া স্পেশালাইজড টিমসহ প্রতিটি খিত্তায় সাদা পোশাকে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করবে।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জায়েদা খাতুন এর প্রধান উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রায় সাড়ে ৮ হাজার অস্থায়ী টয়লেটের ব্যবস্থা রয়েছে। ময়দানের চাহিদা মোতাবেক ব্লিচিং পাউডার সরবরাহ এবং ২৫টি ফগার মেশিনে মশক নিধনেরও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিয়মিত পানি ছিটানো, মশার ওষুধ দেওয়া, পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা থেকে শুরু করে সব রকমের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেখানে সার্বক্ষণিক একাধিক টিম কাজ করবে। মুসল্লিদের যে কোনো সমস্যায় তারা কাজ করে যাবে।

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবুল ফাতে মোঃ সফিকুল ইসলাম বলেন, দুই পর্বের ইজতেমা সফল করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে। এ জন্য বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে একাধিক প্রস্তুতিমূলক সভাও করা হয়েছে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ