1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
কোরআনের নির্দেশনা পালনকারীর বিশেষ মর্যাদা - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
উজিরপুরে গাজা সেবী আর এক গাজা সেবীর ১৪ বছরে কিশোরী কন্যাকে বিয়ে, এলাকায় তোলপাড় বরিশাল সংস্কৃতিকেন্দ্রের ৩৬ জুলাই সেমিনার পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি থেকে রাজনৈতিক অস্থিরতা: কোথায় যাচ্ছে বাংলাদেশ? গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের ওপর হামলা, জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের নিন্দা ১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি র‍্যাব-৮ এর অভিযানে গ্রেফতার বরিশালে সন্তানের সামনে বৃদ্ধা মাকে কুপিয়ে জখম। থানায় অভিযোগ লাকুটিয়া খাল খনন ছাড়াই ফেরত গেল কোটি কোটি টাকার সরকারি বরাদ্দ ডাকাতের কবলে সাংবাদিক নেতারা, থানায় অভিযোগ দ্রুত একটা গ্রহণযোগ্য গণমাধ্যম কমিশন গঠন হবে: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন তারুণ্যই আগামীর বাংলাদেশ গঠনের প্রধান শক্তি: ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

কোরআনের নির্দেশনা পালনকারীর বিশেষ মর্যাদা

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৩৬৯ 0 বার সংবাদি দেখেছে
কোরআন মহান আল্লাহর পবিত্র কালাম। যারা আল্লাহকে ভালোবাসে, তারা পবিত্র কোরআনকে ভালোবাসে। কেননা পবিত্র কোরআনকে ভালোবাসাও ঈমানের বহিঃপ্রকাশ। কোরআন ঈমানদারকে আলোকিত করে।

কোরআন ঈমানদারের অন্তরকে পাপের মরিচা থেকে পরিষ্কার করে। কোরআন ঈমানদারকে সত্য উপলব্ধি করতে সহযোগিতা করে। কোরআনের প্রেমে ঈমানদারের চোখ থেকে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার অশ্রু ঝরে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘এবং যখন তারা রাসুলের প্রতি যা অবতীর্ণ করা হয়েছে তা শ্রবণ করে, তখন তারা যে সত্য উপলব্ধি করে তার জন্য তুমি তাদের চক্ষু অশ্রুবিগলিত দেখবে।
তারা বলে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা বিশ্বাস করেছি। অতএব, তুমি আমাদের (সত্যের) সাক্ষীদের দলভুক্ত করো।’ (সুরা : মায়েদা, আয়াত : ৮৩) 

কোরআন মানুষকে আল্লাহর রহমতের অংশীদার করে। মানুষ যখন মনোযোগসহ কোরআন শ্রবণ করে, তখন তাদের ওপর আল্লাহর রহমত অবতীর্ণ হয়।

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর যখন কোরআন পাঠ করা হয় তখন তোমরা মনোযোগের সঙ্গে তা শোনো এবং নিশ্চুপ হয়ে থাকো, যাতে তোমাদের প্রতি দয়া করা হয়।’
(সুরা : আরাফ, আয়াত : ২০৪) 

শুধু তা-ই নয়, যারা কোরআন তিলাওয়াত করে এবং সে অনুযায়ী আমল করে, মহান আল্লাহ তাদের এর উত্তম প্রতিদান দেন। কোরআনের পেছনে সময়ের বিনিয়োগ কখনো বৃথা যায় না। এ ব্যাপারে মহান আল্লাহ নিজেই বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর কিতাব অধ্যয়ন করে, সালাত কায়েম করে এবং আল্লাহ যে রিজিক দিয়েছেন তা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, তারা এমন ব্যবসার আশা করতে পারে, যা কখনো ধ্বংস হবে না। যাতে তিনি তাদেরকে তাদের পূর্ণ প্রতিফল দান করেন এবং নিজ অনুগ্রহে তাদের আরো বাড়িয়ে দেন।

নিশ্চয়ই তিনি অতি ক্ষমাশীল, মহাগুণগ্রাহী।’ (সুরা : ফাতির, আয়াত : ২৯-৩০) 

যারা দুনিয়াতে কোরআন চর্চা করবে, যে অনুযায়ী জীবন সাজাবে। কোরআনের প্রচার-প্রসারে আত্মনিয়োগ করবে, কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ তাদের সম্মানিত করবেন। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কোরআন পাঠে দক্ষ ব্যক্তি (আখিরাতে) সম্মানিত নেককার লিপিকার ফেরেশতাদের সঙ্গে থাকবে। আর যে ব্যক্তি তা পাঠ করে এবং এটা তার পক্ষে খুবই কঠিন ও কষ্টকর, সে দুটি পুরস্কার পাবে।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৯০৪)

আর যারা তাদের সন্তানকে কোরআনের শিক্ষায় শিক্ষিত করবে, কোরআন মোতাবেক জীবন গড়ার মতো মনমানসিকতা তৈরি করে বড় করবে, তাদের পুরস্কার হলো জান্নাতে বিশেষ সংবর্ধনা। হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, সাহল ইবনে মুআজ আল-জুহানি (রহ.) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোরআন পাঠ করে এবং তদনুযায়ী আমল করে, কিয়ামতের দিন তার মা-বাবাকে এমন মুকুট পরানো হবে, যার আলো সূর্যের আলোর চেয়েও উজ্জ্বল হবে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১৪৫৩)

মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে কোরআনের প্রতি ভালোবাসা স্থাপনের তাওফিক দান করুন। আমিন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ