1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
বিদ্যুতায়িত সেই শিশুটি অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশাল-৪ : কে হাসবে শেষ হাসি ? উজিরপুরের হারতায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও মামলা চলমান অবস্থায় ইজারা কার্যক্রমের ঘোষণা,ক্ষুব্ধ সংখ্যালঘু পরিবার ও ব্যবসায়ীরা বাকেরগঞ্জে শেষ সময়ে দাঁড়িপাল্লা সমর্থকদের বিশাল গণমিছিল উজিরপুরে বিএনপির প্রার্থী সরফুদ্দিন সান্টুর নির্বাচনী উঠান বৈঠকে লক্ষ জনতার ঢল, সমর্থন দিলেন এনপিপির প্রার্থী বাকেরগঞ্জে দাঁড়িপাল্লার গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে : বাবর উজিরপুর পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডে ধানের শীষের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত উজিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন থেকে সরে দাড়ালেন- এমপি প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বাদল উজিরপুরের বামরাইল ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের মুগাকাঠী গ্রামে ধানের শীষের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত উজিরপুরে ওটরা ইউনিয়নের উঠান বৈঠকে ভোট চাইলেন ওটরা বাসির কাছে – এস সরফুদ্দিন সান্টু দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের থেকে বাকেরগঞ্জবাসী মুক্তি চায় : মাহমুদুন্নবী
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

বিদ্যুতায়িত সেই শিশুটি অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল

  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২৬৩ 0 বার সংবাদি দেখেছে

অনলাইন ডেস্ক : রাজধানী ঢাকার মিরপুরে বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতের বৃষ্টির ফলে জমে থাকা পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেছে একই পরিবারের তিনজনসহ চারজনের। অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছে পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ সদস্য ৭ মাসের শিশু হোসাইন।

 

জানা গেছে, বৃষ্টির মধ্যে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বাসার দিকে ফিরছিলেন মিজান হাওলাদার (৩৫)। রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা কমার্স কলেজ-সংলগ্ন ঝিলপাড় বস্তির বিপরীত পাশে রাস্তায় মিজান, তার স্ত্রী মুক্তা (২৫) ও মেয়ে লিমা (৭) বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যান। এসময় মিজানের পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা গেছেন একই এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ অনিক (১৮) নামের এক তরুণ। তবে আহত হলেও বেঁচে আছে মিজান-মুক্তা দম্পতির সাত মাসের ছেলে হোসাইন। এ ঘটনায় বিদ্যুতায়িত হয়ে আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।

স্থানীয়রা জানান, ঘটনার পর শিশুটিকে প্রথমে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার চিকিৎসা শেষে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। শিশুটি এখন ভালো আছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ওই রোডের ফুটপাত দিয়ে দেয়াল ঘেঁষে বাসায় যাচ্ছিলেন মো. মিজান, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান। মিজানের কোলে ছিল কন্যা সন্তান লিমা, আর মুক্তার কোলে ছিল সাত মাসের ছেলে হোসাইন। মাদ্রাসার দেয়ালের শেষপ্রান্ত ও ভাই ভাই সুপার কফিসপ অ্যান্ড কনফেকশনারির সামনের আসতেই তারা পানিতে ছটফট করতে থাকেন। দূর থেকে অনেকেই এ ঘটনার ভিডিও করতে থাকেন। সেসময় অনিক নামে একজন এগিয়ে আসলে পরে তিনিও বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যান।

নিহত মিজানের বাবা নাছির হাওলাদার গণমাধ্যমকে জানান, গত বুধবার রাতে মিজান বরিশাল থেকে এসেছে। এরপর বউ-বাচ্চাদের নিয়ে শ্বশুরের বাসা থেকে নিজেদের বাসায় ফিরছিল। নিজ গ্রাম বরিশালের ঝালকাঠি থানার বিকনার গ্রামে তাদের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে।

মিজানের শ্বশুর ও মুক্তার বাবা মো. লিটন মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, মেয়ে ও জামাইয়ের সঙ্গে দুপুরে কথা হয়। তারা চিড়িয়াখানার দিকে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে ভাড়া থাকত। সেখানে যাওয়ার সময় আমার মেয়ে, জামাই ও নাতনি মারা যায়।

নিহত অনিকের বাবা বাবুল মিয়া সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মিজান যখন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন, তখন তার কাঁধে ছিল হোসাইন। তিনি হোসাইনকে বাঁচানোর জন্য একদিকে ছুড়ে মারেন। অনিক পানির মধ্য থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান।

এ বিষয়ে মিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন সাংবাদিকদের বলেন, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে আমাদের তদন্ত চলমান রয়েছে। এ ছাড়া নিহতদের স্বজনরা আমাদের কাছে একটি অভিযোগ করেছেন অবহেলাজনিত মৃত্যুর বিষয়ে। অভিযোগটি মামলা আকারে দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে শুরু করে এই ৪ মৃত্যুর পেছনে আর কারো কোনো দায় আছে কি না সেটি আমরা তদন্ত করে দেখব।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ