1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
ডা. অমিতাভের কাছে হাজারো রোগী এবং তিনটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান জিম্মি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
উজিরপুরে সানুহার টু ধামুরা সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধন করেন -এমপি সান্টু চরামদ্দি মূগাখাঁন মসজিদ প্রাঙ্গণে গীতা পাঠ, ক্ষমা চাইল বিএনপি গুঠিয়ায় বন্ধু মহল একতা ফাউন্ডেশন-২০০৪ এর শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা বরিশালে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ যুবক আটক লুট হওয়া সরকারি অস্ত্র উদ্ধারে র‍্যাব-৮ এর বিশেষ উদ্যোগ তথ্য দিলেই সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার, গোপন থাকবে পরিচয় বরিশালে সেইলর আউটলেটে মাফিয়া সেল অফার উজিরপুরে তিন যানবাহনের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল অজ্ঞাতনামা প্রতিবন্ধী নারীর আদর্শের টানে আঘাতের ক্ষত হাসিমুখে বয়ে বেড়ান বিএনপি কর্মী দেলোয়ার উজিরপুরের ধামুরা-শোলক সড়কে ৭ কোটি টাকা ব্যায়ে ব্রীজের অ্যাপ্রোচ ও রাস্তা নির্মানের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন উজিরপুরে ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে ঘরে ঢুকে স্বর্ণালংকার লুটের চেষ্টা, বাধা দেওয়ায় হাতুড়িপেটায় রক্তাক্ত প্রবাসীর স্ত্রী
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

ডা. অমিতাভের কাছে হাজারো রোগী এবং তিনটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান জিম্মি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৮৮ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের নিউরোমেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. অমিতাভ সরকারের বিরুদ্ধে রোগীদের অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো, বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে রোগী পাঠানো এবং এসবের মাধ্যমে কমিশন নেওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি মো. মাসুম নামে এক ব্যক্তি ডা. অমিতাভ সরকারের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য সচিব ও বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা গেছে, বরিশালের বেলভিউ হাসপাতাল অ্যান্ড মেডিকেল সার্ভিসেস, রাহাত আনোয়ার হাসপাতাল ও কেএমসি হাসপাতালের সঙ্গে ডা. অমিতাভ সরকারের ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততা রয়েছে। তার কাছে চিকিৎসা নিতে আসা বিপুলসংখ্যক রোগীকে বিভিন্ন সময় এসব প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা বা ভর্তি করানোর সুপারিশ করা হয়। প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও কিছু রোগীকে সিটি স্ক্যান, এমআরআইসহ বিভিন্ন পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। এসব পরীক্ষার বিপরীতে কমিশন নেন ডা. অমিতাভ। অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট হারে আর্থিক সুবিধা নেওয়া হয় এবং কমিশনের একটি অংশকে ‘লেস’ হিসেবে রোগীর টেস্ট স্লিপে লিখে আই ওয়াশ করা হয়।
এছাড়া বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের বেড ভাড়া ও চিকিৎসাসেবা বাবদও কমিশন নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। প্রতি রাউন্ডের জন্য নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা নেওয়া এবং সুস্থ রোগীদেরও ফিজিওথেরাপির পরামর্শ দিয়ে নির্দিষ্ট ফিজিওথেরাপি সেন্টারে পাঠানোর বিনিময়ে কমিশন গ্রহণের করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সরকারি কর্মঘণ্টার মধ্যেই ডা. অমিতাভ সরকার বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে রোগী দেখেন। এতে শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সরকারি চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগীদের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পাঠানোর জন্য দালাল ব্যবহার করা হয়।
এদিকে বেলভিউ হাসপাতাল অ্যান্ড মেডিকেল সার্ভিসেসের ব্যবস্থাপনা ও শেয়ার সংক্রান্ত বিষয়েও ডা. অমিতাভ সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতালটির একটি বৈধ কমিটি তার প্রভাবে ভেঙে তিনি চেয়ারম্যান হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। হাসপাতালের শেয়ার ক্রয় নিয়েও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
তাছাড়া ডা. অমিতাভ সরকারের আয়কর নথি নিয়েও অভিযোগে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আয়কর নথি অডিটের সময় অনিয়ম ধরা পড়লেও পরবর্তীতে এক মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়।
অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়েছে, সরকারি চাকরিতে থেকে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ক্রয়, রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে কমিশন গ্রহণ, ওষুধ কোম্পানির কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নেওয়া এবং সরকারি কর্মঘণ্টায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার বিষয়গুলো তদন্ত করা প্রয়োজন। এসব বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি ডা. অমিতাভ সরকারকে শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে বদলি এবং তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।
এসব অভিযোগ একবাক্যে অস্বীকার করে ডা. অমিতাভ সরকার বলেন, আমি আমার নামে বেলভিউ কিংবা কেএমসি হাসপাতালে শেয়ার নেইনি। রোগীদের পরীক্ষার কমিশনের কোন টাকা আমি নেইনা, এটা রোগীদেরকে ডিসকাউন্টের জন্য আমার বলা আছে। ওষুধ কোম্পানির কাছ থেকে সুবিধা নেওয়ার কোন প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবেনা। তাছাড়া শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজে আমি যথযথ সার্ভিস দেই। আমি রাহাত আনোয়ার হাসপাতালে যাই দুপুর দুইটার পরে। সবশেষ তিনি বলেন, আমার বিরূদ্ধে কেউ অভিযোগ দিয়েছে এমন কোন তথ্য আমি জানিনা।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ