1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
বরিশালে এখনো ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি সোনালী ব্যাংক - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশাল প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের মিলনমেলায় তালাশ বিডির দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন উজিরপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা কাদায় আটকে গেলেন ইউএনও, তবুও থামেননি পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড. মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ উজিরপুরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২) এবং নতুন কুঁড়ি অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন উজিরপুরে হা-ডু-ডু ফাইনালে শিমুলতলার জয়, পুরস্কার তুলে দিলেন এমপি – সান্টু কবিরাজির আড়ালে কিশোরীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ, প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতার বাকেরগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি রিমন, সম্পাদক মোর্শেদ,সাংগঠনিক বেলাল উজিরপুরে বিএনপি ও এমপি সান্টুকে নিয়ে উদ্দেশ্য প্রোণোদিত অপপ্রচাররের বিরুদ্ধে উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন উজিরপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্রেস্ট ফিডিং কর্ণার শুভ উদ্বোধন করেন শরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু – এমপি
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

বরিশালে এখনো ফ্যাসিস্ট সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি সোনালী ব্যাংক

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬
  • ৩১৫ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : সোনালী ব্যাংক পিএলসি বরিশাল অঞ্চলে কর্মকর্তাদের পদায়ন ও বদলি বানিজ্য নিয়ে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম কমেনি। সরকার বদল হলেও সিন্ডিকেটের মূল হোতারা ভোল পাল্টে রাতারাতি নতুন পরিচয়ে রঙ্গিন ভুবন নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। কর্মকর্তা কর্মচারীদের পদায়ন, বদলি সহ নানা ইস্যুতে তারা প্রতিনিয়ত লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এতে নিষ্পেষিত হচ্ছে সাধারণ ও নিরীহ পেশাদার কর্মকর্তারা।

বরিশাল সোনালী ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেছেন, বঙ্গবন্ধু পরিষদের উপদেষ্টা প্রিন্সিপাল অফিস ওয়েষ্ট এর ডিজিএম বিভাস চন্দ্র হাওলাদার ও এজিএম জহুরুল ইসলামের নিয়ন্ত্রণে একটি চক্র গড়ে উঠেছে। যেখানে আরও কয়েকজন কর্মকর্তা যুক্ত রয়েছেন। এই চক্র বিভিন্ন শাখায় গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তাদের নিয়োগ ও বদলিতে প্রভাব বিস্তার করছে। জহুরুল ইসলাম বঙ্গবন্ধু পরিষদের ৬ নং সহ-সভাপতি ও বঙ্গমাতা পরিষদেরও ৬ নং সহ-সভাপতি ছিলেন।
তাছাড়া এসপিও মোঃ সাব্বির মাহমুদ এবং প্রিন্সিপাল অফিসার তিমির রঞ্জন দাস সহ কয়েকজন ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার ও নিষিদ্ধ আওয়ামীলীগ নেতার অনুসারী কর্মকর্তার সমন্বয়ে একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া চালু রেখেছে, যা অফিসিয়াল কাঠামোর বাইরে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন কর্মকর্তার পদায়ন নিয়ে নির্দিষ্ট অভিযোগও উঠেছে। কিছু কর্মকর্তাকে ‘পছন্দের শাখা’ বা ‘প্রাইজ পোস্টিং’-এ পাঠানো হয়েছে, আবার কেউ কেউ স্বল্প সময়ের মধ্যে একাধিকবার বদলি হয়েছেন।
এর মধ্যে চিন্থিত আওয়ামীলীগ নেতা আসাদুজ্জামান মোল্লাকে চাখার শাখায় ম্যানেজার হিসেবে পদায়ন, এসপিও তারিকুল ইসলামকে প্রিন্সিপাল অফিস ইস্টে পদায়ন, এসপিও মনদীপ বেপারীকে উজিরপুর শাখা থেকে বরিশাল করপোরেট শাখায় পদায়ন। পরবর্তীতে বিভিন্ন চাপের মুখে পিরোজপুরে পদায়ন করতে বাধ্য হয়। এসপিও মাসুদ পারভেজকে উজিরপুর শাখার ম্যানেজার করা হয়েছে। মোঃ কামরুজ্জামান হাওলাদারকে খানপুরা শাখার ম্যানেজার, সিনিয়র অফিসার রুপক পালকে ধামুড়া থেকে বরিশাল চকবাজার শাখায় পদায়রন করা হয়। প্রসুন কুমার পালকে পটুয়াখালী পায়রা বন্দর শাখা থেকে বরিশালের নলচিড়া শাখায় প্রাইজ পোস্টিং দেয়া হয়। অভিযোগ উঠেছে, এসব বদলী, পদায়ন ও প্রাইজ পোস্টিং করা হয়েছে লাখ লাখ টাকার ঘুষের বিনিময়ে। এসব অভিযোগ এই পাচঁ সদস্য বিশিষ্ট সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে।
প্রিন্সিপাল অফিস ওয়েষ্ট এর ডিজিএম বিভাস চন্দ্র হাওলাদার এর বিরূদ্ধে রয়েছে আরো গুরুতর অভিযোগ। তিনি সোনালী ব্যাংকের আবাসিক বাগানবিলাস এর একটি ভবনে থাকেন। সেখানে তার ছেলের সাথে ব্যাচ পড়ার কারণে যেন কোচিং সেন্টার খুলে বসেছেন। বিকেল গড়ালেই সেখানে বিভিন্ন এলাকা থেকে ছাত্ররা এসে ব্যাচ পড়ে। দিনরাত চব্বিশ ঘন্টা এসি চালিয়ে মাত্র ৭০ টাকা ভাড়া দিয়ে তিনি সেখানে গড়ে তুলেছেন আরেকটি নতুন ভুবন। তাছাড়া কিছুদিন পূর্বে পিয়ন ফিরোজ শিকদারকে দিয়ে প্রায় ২৫টি কম্বল একাই নিয়েছেন ব্যাংক থেকে। এভাবে সোনালী ব্যাংকের বিভিন্ন সম্পদ ও আর্থিক তসরূপ করে যাচ্ছেন বিভাস হাওলাদার।
ডিজিএম বিভাস চন্দ্রের বিরুদ্ধে নিজস্ব প্রভাববলয় তৈরির অভিযোগও উঠেছে। কিছু কর্মকর্তাকে নিয়ে একটি অনানুষ্ঠানিক গ্রুপ গঠন করা হয়েছে, যারা নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার চেষ্টা করছেন। তাছাড়া ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর কিছু কর্মকর্তাকে শাস্তিমূলক বদলি করা হলেও পরবর্তীতে তারা পুনরায় প্রভাব বিস্তার শুরু করেছেন।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ডিজিএম বিভাস চন্দ্র হাওলাদার বলেন, আমি যে সকল বদলি করেছি তা সম্পূর্ণ বিধিসম্মত ভাবেই করেছি। তাছাড়া আমি ছেলে সহ একটি ভবনে থাকি। সেখানে এসি চলে, ছেলের পড়াশুনা চলে এগুলো কোন ইস্যু হতে পারেনা। কিছু গরীব লোককে ২৫টি কম্বল পাইয়ে দিয়েছিলাম, সেগুলো তো আমি নিজে নেইনি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ