1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
দল ও ভোল পাল্টে শেবাচিমে আওয়ামীপন্থী কর্মচারীদের আধিপত্য বহাল - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশাল প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের মিলনমেলায় তালাশ বিডির দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন উজিরপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা কাদায় আটকে গেলেন ইউএনও, তবুও থামেননি পরিচ্ছন্নতা অভিযানে বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড. মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ উজিরপুরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২) এবং নতুন কুঁড়ি অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন উজিরপুরে হা-ডু-ডু ফাইনালে শিমুলতলার জয়, পুরস্কার তুলে দিলেন এমপি – সান্টু কবিরাজির আড়ালে কিশোরীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ, প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতার বাকেরগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি রিমন, সম্পাদক মোর্শেদ,সাংগঠনিক বেলাল উজিরপুরে বিএনপি ও এমপি সান্টুকে নিয়ে উদ্দেশ্য প্রোণোদিত অপপ্রচাররের বিরুদ্ধে উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন উজিরপুরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্রেস্ট ফিডিং কর্ণার শুভ উদ্বোধন করেন শরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু – এমপি
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

দল ও ভোল পাল্টে শেবাচিমে আওয়ামীপন্থী কর্মচারীদের আধিপত্য বহাল

  • প্রকাশিত : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ৪০৪ 0 বার সংবাদি দেখেছে

 

স্টাফ রিপোর্টার:বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আওয়ামী সরকারে সময়ে সুবিধাভোগী ও দমন পীড়নে জড়িত কর্মচারীরা এখনো বহাল তবিয়তে। কেউ কেউ ভোল পাল্টে রাতারাতি হয়ে গেছে বিএনপি কিংবা জামায়াত। এভাবে এখনো যাতাকলে পিষ্ট হচ্ছে সেই সময়ে বিএনপি জামায়াত ট্যাগ দিয়ে হেনস্তা হওয়া কর্মচারীরা।
শেবাচিম সূত্রে জানা গেছে, কিছু দিন পূর্বে চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী ইউনিয়নের একটি কমিটি পাশ করানোর জন্য বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের দারস্থ হয় একটি মহল। তাদের ব্যাকগ্রাউন্ডে আওয়ামী লীগের সংস্লিষ্টতা থাকার তথ্য পেয়ে তাদেরকে এড়িয়ে যান সরোয়ার। এরপর এই চক্র বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের রহমাতুল্লার দারস্থ হয়। তাকে ভুলভাল বুঝিয়ে তার মাধ্যমে কমিটি করে। কমিটির শীর্ষ পর্যায়ের দু’একজন বিএনপি পন্থী হলেও বাকী অধিকাংশ সদস্য ঘোর আওয়ামী পন্থী। তৎকালীন সময়ে আওয়ামী ক্যাডার ডা. সায়েম ও ইউসুফ আলী মিলনের ছত্রছায়ায় কাজ করতো। তাদের মধ্যে ওয়ার্ড মাস্টার মশিউল আলম ফেরদৌস, সাইফুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান বাপ্পি, আল মামুন রাব্বি, সিদ্দিকুর রহমান, মনিরুল ইসলাম সহ আরো অনেকে। বিগত দিনে নানা অপকর্মে জড়িত ছিল তারা। বার বার ধরা খেলেও তৎকালী স্বাস্থ্য কমিটির সভাপতি আবুল হাসানত আবদুল্লাহ এবং সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর হস্তক্ষেপে পার পেয়ে যেত। আওয়ামী পরিচয় ব্যবহার করে অনেকে হয়েছেন ধনকুবের মালিক। এদের মধ্যে অন্যতম বিতর্কিত ওয়ার্ড মাস্টার মশিউল আলম মল্লিক ওরফে ফেরদৌস অক্সিজেন সিলিন্ডার চুরি, ডিসপেন্সরী থেকে ৩০ লক্ষাধিক টাকার ঔষধ চুরি, অবৈধ সুবিধা নিয়ে আউটসোর্সিং নিয়োগসহ নানা কান্ডে আলোচিত। তাছাড়া বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক (ফাসিস্ট) মেয়র ও মহানগর আ.লীগের সেক্রেটারি সাদিক আবদুল্লাহর বিশ্বস্ত লাঠিয়াল ছিলেন তিনি। জুলাই বিপ্লবের পর ভোল পাল্টে এখন পুরো হাসপাতালের চার্জ নিয়ে টাকা কামাচ্ছেন দু’হাতে। ফেরদৌসের অন্যতম সহযোগী তাইজুল ছিটকে পড়লেও ফেরদৌস এখনো রয়েছে দুধে-ভাতে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালের ১ মার্চ হাসপাতলের ঔষধ চুরির সময় হাতেনাতে ওয়ার্ড মাস্টার ফেরদৌসকে আটক করে যৌথবাহিনী। এরপরে শেবাচিমের তৎকালীন উপ-পরিচালক ডাঃ সুভাস দাশ কোতয়ালী থানায় একটি এজাহার দাখিল করেন। যার নং ৩২৫৯/০৭। সেখানে ফেরদৌসের বিরূদ্ধে বিভিন্ন সময়ে প্রায় ৩০ লক্ষাধিক টাকার ঔষধ চুরির কথা উল্লেখ করা হয়। পরবর্তিতে জেলা আ.লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর হস্তক্ষেপে সেসব অভিযোগ গিলে ফেলে ফেরদৌস।
এদিকে ২০২১ সালে করোনা ওয়ার্ড থেকে ১০০ অক্সিজেন সিলিন্ডার চুরির অভিযোগ ওঠে ফেরদৌসের বিরূদ্ধে। তখন তৎকালীন সহকারী পরিচালক ডা. মনিরুজ্জামান শাহীনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়। সেই কমিটি তদন্তকালে ফেরদৌসের সরাসরি সম্পৃক্ততা পেলে বিসিসির তৎকালীন মেয়র সাদিকের হস্তক্ষেপে সেই তদন্ত আলোর মুখ দেখেনি। এসব নানা অপকের্মর প্রেক্ষিতে ওয়ার্ড মাস্টার ফেরদৌসকে মন্ত্রণালয় থেকে একাধিকবার অন্যত্র বদলীর আদেশ দিলেও সাদিক আবদুল্লাহ তার পিতাকে দিয়ে সেসব বদলি অর্ডার বাতিল করান। সাদিকের জন্মদিন পালন, বিসিসি নির্বাচন কালীন সময়ে দিনরাত ডিউটি ফেলে সাদিকের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত ছিল ফেরদৌস। জুলাই আন্দোলনে ছাত্র জনতা দমনে সাদিক ও সাজ্জাদ সেরনিয়াবাতের সাথে হামালায় সরাসরি অংশ নেয় ফেরদৌস। ৩ আগস্ট চৌমাথা এলাকায় বিএনপি নেতা জিয়া শিকদারের উপর হামলার ঘটনায়ও সাজ্জাদ সেরনিয়াতাবাতের সাথেই ছিল ফেরদৌস ও তার ছেলে ১২ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল্লাহ আল প্রিন্স। জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, এসব দাগী ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগার এখনও শেবাচিম হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকে কিভাবে ?
এ ব্যাপারে ওয়ার্ড মাস্টার মশিউল আলম ফেরদৌস বলেন, আমাকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী এটা সত্য। আমি সেই মামলায় খালাস পেয়েছি। এছাড়া আমার বিরুদ্ধে যেসব অভযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা। তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অনুসন্ধান করারও অনুরোধ জানান।
এ বিষয়ে ডক্টর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) বরিশাল জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও শেবাচিম হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ডা. আব্দুল মোনেম সা’দ বলেন, ওয়ার্ড মাস্টার মশিউল আলম ফেরদৌস এর বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এ ব্যাপারে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর বলেন, এ ধরনের অভিযোগ আমিও শুনছি। বিতর্কিত কয়েকজনকে ডিউটিস্থল পরিবর্তন করেও দিয়েছি। হাসপাতালে জনবল সংকট থাকায় এসব লোক দিয়েই সার্ভিস চালাতে হচ্ছে। ডিজি হেলথ থেকে যদি লোক পরিবর্তন করে দেয় তাহলে সার্ভিস আরো ভালো করা সম্ভব।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ