1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
"মিডার পানি আর ভিজাইন্না চিড়া দিয়া মোরা ইফতার করি" - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
উজিরপুরে পৃথক পৃথক আন্তর্জাতিক মহান মে দিবস পালিত মাছের সাথে এ কেমন শত্রুতা / সাত লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা উজিরপুরের সাতলা ইউনিয়নে একতা বাজার–কান্দী খাল ভূমিদস্যুদের কবলে, কৃষকদের দাবি পুনঃখনন উজিরপুর পৌরসভার প্রবাসীর বাড়িতে দিন-দুপুরে দুধর্ষ চুরি, স্বর্ন,রৌপ্য ও নগদ অর্থসহ ১১ লাক্ষ টাকার মালামাল লুট উজিরপুরে এসএসসি পরীক্ষায় প্রক্সি দেয়ার অপরাধে যুবককে ১ বছরের কারাদণ্ড টেলিগ্রামভিত্তিক পর্নোগ্রাফি কনটেন্ট বাণিজ্য: ভোলা থেকে চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার টুঙ্গীবাড়িয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডে সদস্য পদে আনোয়ার হোসেন মৃধার প্রার্থিতা ঘোষণা উজিরপুরে রপ্তানিযোগ্য ১০ টি সবজি ৫ টি ফল নিয়ে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত শিক্ষার্থীদের ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত, দুর্নীতিবাজ জহিরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজে তালা উজিরপুর মডেল থানায় ৪ তলা ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন-ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

“মিডার পানি আর ভিজাইন্না চিড়া দিয়া মোরা ইফতার করি”

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২১ মার্চ, ২০২৪
  • ২৬০ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: সারাদিন রোজা রেখে কুরআন পড়ে সময় কাটে। আর মিডার পানি দিয়া বানানো শরবত এবং পানিতে ভিজিয়ে রাখা চিড়া দিয়ে ইফতার করি” কথাগুলো বলছিলেন বরিশাল নগরীর ৫ নং ওয়ার্ড পলাশপুরের গুচ্ছগ্রাম সংলগ্ন রহমানিয়া ক্বিরাতুল কুরআন হাফিজী মাদ্রাসা ও এতিমখানার আবাসিক ছাত্র সাইফুল ইসলাম। শুধু সাইফুলই নয়,অন্য সব শিক্ষার্থীরাও একই ভাবে ইফতার সম্পন্ন করেন। সরজমিন গিয়ে দেখা যায়,প্রায় অর্ধ শতাধিক শিক্ষার্থী গভীর মনযোগ দিয়ে কেউ ছেপারা কেহ কুরআন শরীফ পরছে। এদের মধ্যে বয়সে অত্যন্ত ছোট ২/১ জন ব্যতিত সকলেই রোজা রেখেছে। এদের মধ্যে কাহারও বাবা নেই,কাহারও মা। আবার কয়েকজনের মা-বাবা কেহ নেই।এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, স্বাভাবিক সময়ে আমরা ৩ বেলাই খাবার খাই। বড় হুজুর ধার-দেনা করে কিংবা কাহারও সাহায্য নিয়ে যেভাবেই হোক চালিয়ে নেন। কিন্তু ইফতার সামগ্রী তৈরি করা সম্ভব না কারন এতে অনেক খরচ। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মাদ্রাসার শিক্ষক রাসেল হাওলাদার বলেন,এখানে কোন সরকারি অনুদান না আসলেও আবাসিক শিক্ষার্থীদের বিনা পয়সায় থাকা – খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এই খরচের টাকা বিভিন্ন ব্যাক্তির সহযোগিতা এবং ধার-কর্জ করে ম্যানেজ করতে হয়। জানতে চাইলে এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলাম ফিরোজী বলেন, এটা পাবলিক এতিমখানা বিধায় আমরা কোন সরকারি অনুদান পাই না।। রোজার মধ্যে ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের ইফতার ম্যানেজ করতে পারছি না।এই বছর দ্রব্যমূল্যের দাম অনেক বেড়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক বাজারই যেখানে করতে পারি না,সেখানে ইফতার সামগ্রী বন্দোবস্ত করা খুবই কঠিন।তাই বাধ্য হয়ে ওদের গুড় দিয়ে বানানো শরবত এবং পানিতে ভিজানো চিড়া দিয়েই ইফতার করাই। তিনি আরও বলেন, সমাজের উচ্চবিত্ত থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ যদি সাহায্য নিয়ে এগিয়ে আসেন তাহলে এই শিশুদের মুখে একটু ভালো ইফতার তুলে দিতে পারি। সামনে ঈদ।এই বাচ্চাদেরও ইচ্ছে করে নতুন পোশাক পরিধান করতে। আমি সমাজের সব শ্রেণীর মানুষের কাছে এই এতিম শিশুদের সাহায্যে এগিয়ে আসার আহবান জানাই। এছাড়াও আপনাদের যাকাত-ফিরা কিংবা মানত করা অর্থ আমাদের দান করুন। যোগাযোগ :- ০১৯২৪৬১২৯১৮

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ