
মো: এমদাদুল কাসেম সেন্টু, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় নবজাতক শিশু হত্যা নিয়ে ধূম্রজাল, স্থানীয়দের দাবী ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরেই গলা টিপে শিশুটিকে হত্যা করেছে মা বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের মু্ড়িবাড়ি গ্রামের আক্তার হোসেনের মেয়ে লাকি বেগম বিদেশে থাকতো। সেখানে তার গর্ভবতী হয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসে। এর কিছুদিন পরে সে অসুস্থ হয়ে পরে, গত ৫ ডিসেম্বর লাখির মা জাহানারা বেগম লাখিকে উজিরপুর হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং গর্ভপাত করে শিশু হত্যার জন্য এক কথিত মহিলা ডাক্তারকে ১৫০০ টাকা দিয়ে ঔষধ কিনে খাওয়ায় এবং গ্রামের বাড়ি চলে যায় । রাত ২টার দিকে সন্তান প্রসবের ব্যাথা হলে বাথরুমে যায় সেখানে বাচ্চা প্রসব হয়। ঘটনার সময় পাশের বাড়ির রাজিয়া বেগম ও আছুরা বেগমকে ডেকে আনা হলে তারা দেখতে পান বাথরুমে বাচ্চার গলা টিপে ধরে আছে লাকি বেগম। এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এ ব্যাপারে রাজিয়া বেগম জানান,লাকি বেগম তার অবৈধ সন্তানকে ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরেই গলা টিপে হত্যা করে ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য শিশুটির লাশ ছালার বস্তায় ভরে তাদের বাড়ির বাথরুমের পাশে ইটের নিচে রেখে দেয়। এরপর শিশুটির লাশ মাটি চাপা দেয়। অভিযুক্ত লাকি বেগম জানান আমি ওমানে থাকা অবস্থায় সেখানে আমার প্রেমের সম্পর্কে বিয়ে হয়। আমার গর্ভের সন্তান বৈধ। তবে পুনরায় বিদেশে যাবো তাই ঔষধ খেয়ে বাচ্চা নষ্ট করেছি। লোকলজ্জায় তাড়াতাড়ি মাটিচাপা দিয়েছি। এদিকে স্থানীয়দের দাবি নিজের অপকর্ম ঢাকার জন্যই লাকি বেগম নিজের নবজাতক সন্তানকে গলা টিপে হত্যা করে মাটিচাপা দিয়েছে।