1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
নামাজ পড়ার শারীরিক যত উপকার - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
উজিরপুরে সানুহার টু ধামুরা সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধন করেন -এমপি সান্টু চরামদ্দি মূগাখাঁন মসজিদ প্রাঙ্গণে গীতা পাঠ, ক্ষমা চাইল বিএনপি গুঠিয়ায় বন্ধু মহল একতা ফাউন্ডেশন-২০০৪ এর শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা বরিশালে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ যুবক আটক লুট হওয়া সরকারি অস্ত্র উদ্ধারে র‍্যাব-৮ এর বিশেষ উদ্যোগ তথ্য দিলেই সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার, গোপন থাকবে পরিচয় বরিশালে সেইলর আউটলেটে মাফিয়া সেল অফার উজিরপুরে তিন যানবাহনের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল অজ্ঞাতনামা প্রতিবন্ধী নারীর আদর্শের টানে আঘাতের ক্ষত হাসিমুখে বয়ে বেড়ান বিএনপি কর্মী দেলোয়ার উজিরপুরের ধামুরা-শোলক সড়কে ৭ কোটি টাকা ব্যায়ে ব্রীজের অ্যাপ্রোচ ও রাস্তা নির্মানের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন উজিরপুরে ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে ঘরে ঢুকে স্বর্ণালংকার লুটের চেষ্টা, বাধা দেওয়ায় হাতুড়িপেটায় রক্তাক্ত প্রবাসীর স্ত্রী
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

নামাজ পড়ার শারীরিক যত উপকার

  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৪৪৯ 0 বার সংবাদি দেখেছে

আল্লাহ তাআলা প্রতিদিন মুসলমানের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজকে ফরজ করেছেন। নামাজ দুনিয়ায় সব ধরনের অন্যায় কাজ থেকে আমাদের বিরত রাখে। কর্মক্ষম উজ্জীবিত মানসিকতা লাভে নামাজ আল্লাহর এক মহা নেয়ামত। বান্দার জন্য অন্যতম রহমতও বটে। তাইতো আল্লাহ তাআলা মানুষকে সার্বিকভাবে উজ্জীবিত করতে নামাজের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। আর নামাজ না পড়লে শাস্তির বিধানও রেখেছেন।

নামায আদায়ে পরকালে পুরস্কার পাওয়া ছাড়াও পাবেন অনেক শারীরিক উপকার। তাহলে চলুন কয়েকটি উপকারিতা সম্পর্কেগুলো জানি:

অজু: নামাজের জন্য মানুষকে প্রতিদিন পাঁচ বার অজু করতে হয়। আর এতে মানুষের ত্বক পরিষ্কার থাকে। অজুর সময় মানুষের দেহের মূল্যবান অংশগুলো পরিষ্কার হয়। এতে জীবাণু থেকে ত্বক সুরক্ষা থাকে। এছাড়া চেহারার লাবণ্যতাও বাড়ে ও মুখের বলিরেখা কমে যায়।

নামাজে দাঁড়ানো: মানুষ যখন নামাজে দাঁড়ায়, তখন চোখ সিজদার স্থানে স্থির থাকে। ফলে মানুষের একাগ্রতা ও মনোযোগ বাড়ে।

রুকু: নামাজি ব্যক্তি যখন রুকু করেন আবার রুকু থেকে ওঠে সোজা হয়ে দাঁড়ান তখন মানুষের কোমর ও হাঁটুর ভারসাম্য রক্ষা হয়। রক্ত চলাচল বাড়ে। ফলে কোমর ও হাঁটু ব্যথা কমে।

সেজদা: নামাজে যখন সেজদা করা হয় তখন নামাজি ব্যক্তির মস্তিস্কে দ্রুত রক্ত প্রবাহিত হয়। ফলে তার স্মৃতি শক্তি বহুগুণে বাড়ে। আবার সেজদা থেকে ওঠে যখন দুই সেজদার মাঝখানে বসে এতে তার পায়ের উরু ও হাঁট সংকোচন এবং প্রসরণ ঘটে। এতে করে মানুষের হাঁটু ও কোমরের ব্যথা উপশম হয়।

সালাম ফেরানো: নামাজ শেষে বসা অবস্থায় ডান ও বাম দিকে সালাম ফেরানো হয়। এতে শরীরের শুধু মাথা ও ঘাড় ডান দিকে ও বাম দিকে ফেরানো হয়। এটা ঘাড়ের উত্তম ব্যায়াম, যা নামাজের মাধ্যমে সাধিত হয়।

বিনয়ী হওয়া: নামাজ মানুষকে সময় সম্পর্কে সচেতন করে তোলে। বান্দা সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টির জন্য সময় মতো নামাজে বিনয়ী হয়ে দাঁড়ায়। আর এখান থেকেই কীভাবে বিনয়ী হতে হয় তার শিক্ষাগ্রহণ করা যায়।

স্বাস্থ্য উপকারিতা: নামাজ মানুষের দেহের কাঠামোগত ভারসাম্যতা বজায় রাখে। ফলে স্থুলতা কমে। নামাজে নড়া-চড়া করায় অঙ্গগুলো স্থানভেদে সংবর্ধিত, সংকুচিত হয়ে বিশেষ কাজ করে থাকে। অঙ্গ ও জোড়াগুলোর বর্ধন ও উন্নতি এবং শক্তি বাড়ায়।

মন প্রশান্ত করে: নামাজের মাধ্যমে একজন মুসলমান নিজেকে আল্লাহর কাছে সমর্পণ করে। এই আত্মসমর্পণে আত্মিক দিক দিয়ে নামাজি ব্যক্তি শক্তিশালী হন। নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর ধ্যানে তার মন প্রশান্ত হয়।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে নামাজ আদায়ের মাধ্যমে শারীরিক, মানসিক ও আত্মিক উপকারিতা লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ