1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
বরিশালে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের হাজার হাজার টাকা গচ্চা - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
উজিরপুরে সংসদ সদস্যর হস্তক্ষেপে সাতলায় দীর্ঘদিনের মৎস্য ঘের দ্বন্দ্বের নিরসন, পোনা মাছ চাষের উদ্বোধন বর্ণাঢ্য আয়োজনে বরিশালে সময় টেলিভিশন’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত খাতা মূল্যায়নে কারচুপির অভিযোগ: ববিতে শিক্ষার্থীর আমরণ অনশন উজিরপুরে প্রশাসনের উদ্যোগে বাংলা নব বর্ষবরণ উৎসব উদযাপন,প্রধান অতিথি-এমপি সরফুদ্দিন সান্টু “কাগজে-কলমে নয়, বাস্তবেই আধুনিক পৌরসভা গড়ে তুলবো”—উজিরপুরে মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট সুমন ঝালকাঠির রাজাপুরে হত্যা মামলার প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেফতার গণভোটের রায় কোন দাক্ষিণ্য নয়, এটাই সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের রায় : অ্যাড. হেলাল বরিশাল খোকন “ল‌‌” একাডেমি থেকে উত্তীর্ণ হওয়া নবীন আইনজীবীদের ক্রেস্ট বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় উজিরপুরে স্বামীর মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনের দাবিতে স্ত্রী-সন্তানদের সংবাদ সম্মেলন উজিরপুরে মাদক বিক্রি বাধা দেয়ায় ছাত্রদল নেতার উপর মাদক ব্যবসায়ীদের হামলা
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

বরিশালে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের হাজার হাজার টাকা গচ্চা

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২২১ 0 বার সংবাদি দেখেছে

 

স্টাফ রিপোর্টার: বরিশাল নগরীতে মিটার না দেখে পূর্বের বিলের অনুমানের ভিত্তিতে বিদ্যুৎ বিল করায় গ্রাহকদের হাজার হাজার টাকা গচ্চা যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি মিটারের চেয়ে বেশি রিডিং দেখি ইউনিট বাড়িয়ে দেওয়ায় ইউনিট প্রতিও বাড়তি রেট গুনতে হয় গ্রাহকদের। এসব বিষয় উল্লেখ করে নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন একজন ভুক্তভোগী গ্রাহক।
বরিশাল নগরীর বিআইপি শাখা সড়কে বসবাসকারী ঐ ভুক্তভোগী গতকাল চাঁদমারী ওয়েষ্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন (বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১) এর নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগটি সাধারণ শাখা গ্রহণ করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অপেক্ষমান রাখে।
এছাড়া একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, মিটার রিডাররা সরেজমিনে না গিয়েই বিল করেন। ইচ্ছেমত যার যত খুশি ইউনিট দেখিয়ে দেন। এসব নিয়ে গ্রাহকদের ভোগান্তির শেষ নেই।
লিখিত অভিযোগে গ্রাহক বলেন, কয়েক মাস পূর্বে আমাদের মিটার রিডারের দায়িত্বে আসেন হারুনর রশিদ। তিনি আসার প্রথম মাস থেকে ৪০০ ইউনিট করে বিল দেখান। কিছুদিন পর আমার সন্দেহ হলে আমি চেক করে মিটারে বিলের চেয়ে রিডিং কম দেখতে পাই। এরপর রিডার হারুন সাহেবকে ফোন দিয়ে নিয়ে সরাসরি দেখাই। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে জানান, সামনের দিকে আর এভাবে হবেনা । অথচ এর পরেও তিনি মিটার না দেখেই গড়ে বিল দেখিয়ে যাচ্ছেন। নভেম্বর মাসে বিল দেখিয়েছেন ২৪০ ইউনিট। একমাস পরে বর্তমানে আছে মাত্র ৮৫ ইউনিট। অর্থাৎ তৎকালীন সময়ে তিনি অগ্রীম রিডিং দেখিয়ে বিল করেছেন। এভাবে বিগত মাস সমূহে আমার অনেক টাকা গচ্চা গেছে। এসব বিষয়ে ক্ষতি পূরণ ও প্রতিকার চেয়ে অভিযোগে আবেদন করা হয়।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মিটার রিডার হারুনর রশিদ বলেন, আমি সব জায়গায় মিটার দেখেই বিল করি। সরেজমিনে না গিয়ে বিল করার কোন সুযোগ নেই। ঐ গ্রাহকের যে গ্যাপ হয়েছে সেটা ঠিক করে দেওয়া যাবে।
ওয়েষ্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন (বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১) এর নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুল কুমার স্বর্ণকার বলেন, আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। গুরুত্ব দিয়েই তদন্ত স্বাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ