মোঃএমদাদুল কাসেম সেন্টু, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বড়াকোঠা ইউনিয়নের উত্তর বড়াকোঠা গ্রামে নিরুদ্দেশ হয়ে ৫০ বছর পর স্ত্রী সন্তান ও ৯৫ বছর বয়স অসুস্থ বৃদ্ধাকে নিজ জন্ম স্হান পিত্রালয় উটতে বাধা দিলেন সহ ধর ভাইয়েরা। এনিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। বাধা উপেক্ষা করে পিত্রালয় উঠিয়ে দিলেন এলাকাবাসী। ১০ আগষ্ঠ সোমবার এঘটনা ঘটে। স্বরজমিনে গিয়ে জানাযায় উত্তর বড়াকোঠা গ্রামের মৃত-মোঃ সফিজউদ্দিন বেপারীর বড় ছেলে মোঃ মোসলেম বেপারী (৯৫) দেনার দায়ে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে ৫০ বছর আগে নিরুদ্বেশ হয়ে যায় । নিরুদ্দেশ হয়ে মংলা, ঢাকা ও চট্টগ্রামে ছিলেন। দেশের বাড়ির কারো সাথে যোগাযোগ করতেননা তিনি ।কয়েক মাস ধরে মোসলেম ও তার স্ত্রী নুরজাহান বেগম (৭৫) অসুস্থ হয়ে পরেন। অসুস্থ হওয়ায় তার কন্যা আয়সা বেগম পিতা-মাতাকে ১০ আগষ্ঠ সোমবার সকাল বেলা চট্রগ্রাম থেকে বাড়িতে নিয়ে আসে। মোসলেমের ছোট ভাই মোঃ মর্তুজা বেপারী জানতে পারে বড় ভাই বাড়িতে এসেছে এবং বাড়ির লোকদের বলে বাড়িতে জেন উঠতে না পারে। বাড়ির সামনে রাস্তার পাশে মোঃ রুবেল বেপারীর দোকানের সামনে অসুস্থ অবস্থায় সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পরে থাকতে দেখে সন্দেহ হয় এলাকাবাসীর। এরপর আপন ছোট ভাইদের কাছে জিজ্ঞেস করলে তারা কোন ভুমিকা না নেয়ায় সন্ধ্যার পরে এলাকাবাসী অসুস্থ বৃদ্ধাকে ভ্য্যনে করে উঠিয়ে বাড়িতে নিয়ে মৃত মেজ ভাই সেকেন্দার বেপারীর ঘরে উঠিয়ে দেয়। এলাকাবাসীর চাপে সেজ ভাই মোঃ সেরাজ বেপারীর ঘর থেকে খাবার দেয় ওই খাবার খেয়ে থাকেন এবং একটি চকির উপর সিমেন্টের বস্তা বিছানা তার উপর ঘুমিয়ে রয়েছেন। মোসলেম বেপারীর ভাই সেরাজ বেপারীর স্ত্রীর কাছে মোসলেম বেপারীর ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার দেবর মর্তুজা বেপারী বাড়িতে উঠাতে নিষেধ করেছেন ।কেন নিষেধ করেছেন আমার শশুর জীবিত থাকা অবস্থায় আমার ভাসুর অনেক টাকা ঋণী হয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। পাওনাদার আমার শশুরের জমি দখল ও গোয়ালঘর থেকে গরু নিয়ে যায় । ওই সময় আমার শশুরের ক্ষতি গ্রস্ত হয়েছিল এবং ৫০ বছর ধরে কোন খোজখবর রাখেনি। এজন্য ভাশুরকে বাড়িতে উঠতে নিষেধ করেছে। দোকানদার রুবেল ও পল্লী চিকিৎসক মোঃ বাচ্চু বলেন আমরা সকাল থেকে দোকানের সামনে অসুস্থ অবস্থায় পরে থাকতে দেখে সন্ধ্যার পরে এলাকাবাসীকে নিয় ভ্যানে উঠিয়ে বাড়িতে পৌছে দিয়েছি। মোসলেম বেপারী ও তার স্ত্রী খুবই অসুস্থ। তাদের চিকিৎসা করাবে সেই অর্থ নাই। চিকিৎসা ও ডাল ভাত খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগীতা কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।