নিউজ ডেস্ক: তিনদিনের সাংগঠনিক সফর শেষে ঢাকায় ফেরার পথে ডাকাতদের কবলে পরে সর্বস্ত্র খুঁইয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের (বিএমএসএফ) নেতৃবৃন্দরা। মুখোশপড়া ডাকাতদল কৌশলে গাড়ি থামিয়ে সাংবাদিক নেতাদের সাথে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুটে নিয়েছেন। এ ঘটনায় চট্টগ্রামের মিরসরাই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
শনিবার (পহেলা আগস্ট) ভুক্তভোগী বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম- বিএমএসএফ'র ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি আহমেদ আবু জাফর বলেন কক্সবাজার, বান্দরবান ও চট্টগ্রামে তিনদিনের সাংগঠনিক সফর শেষে ৩১ জুলাই দিবাগত রাতে আমরা ড্রাইভারসহ চারজনে প্রাইভেটকারযোগে ঢাকায় ফিরছিলাম। পথিমধ্যে রাত দুইটার দিকে চট্টগ্রামের মীরসরাই থানাধীন কমর আলী রাস্তার পশ্চিম পার্শ্বের ঢাকামুখী রাস্তায় পৌঁছলে ডাকাতদল গাড়ি লক্ষ্য করে একটি লোহার রড ছুঁড়ে মারে। এসময় বিকট শব্দে প্রাইভেট চালক প্রাথমিকভাবে ধারনা করেন গাড়ির কোন যন্ত্রাংশ খুলে পরে শব্দ হয়েছে। যেকারণে তিনি (চালক) গাড়ি থামিয়ে নামার পর পরই ৭/৮ জনের একটি মুখোশপড়া ডাকাতদল অস্ত্রের মুখে তাদের সকলকে জিম্মি করে।
সূত্রে আরও জানা গেছে, সংঘবদ্ধ ডাকাতরা সাংবাদিক নেতাদের সাথে থাকা সর্বমোট প্রায় ৯০ হাজার টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোন লুট করে সটকে পরেন। পরবর্তীতে বিষয়টি পাশ্ববর্তী নিজামপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে জানানোর পর এএআই জাহাঙ্গীর হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পান।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বিএমএসএফ'র কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া জানিয়েছেন, এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই মিরসরাই থানায় সাংবাদিক নেতা আহমেদ আবু জাফর বাদি হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অপরদিকে সাংবাদিক নেতারা ডাকাতের কবলে পরে সর্বস্ত্র খোঁয়ানোর বিষয়টি সর্বত্র ছড়িয়ে পরলে পুরো সাংবাদিক সমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
অনতিবিলম্বে ওইসব ডাকাতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি ভূক্তভোগী সাংবাদিক নেতাদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার জন্য দেশের সাংবাদিক সমাজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সাংবাদিক নেতার লিখিত অভিযোগপ্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে মিরসরাই থানার ওসি ফরিদা ইয়াসমিন জানিয়েছেন, অভিযোগের তদন্ত করে ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করতে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ শুরু করেছেন। আশা করছি খুব শীঘ্রই অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।