বেলাল হোসেন শিকদার// বরিশাল জেলার স্বনামধন্য সৎ, নির্ভীক, পরিশ্রমী,আদর্শবান মানবিক জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমন এর বিরুদ্ধে ব্যক্তি সুবিধা না পেয়ে স্বার্থান্বেষী একটি কুচক্রী মহল মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে অপপ্রচারে মেতে উঠেছে।
বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে কতিপয় অসাধু ব্যক্তিদের অন্যত্র বদলি করায় এবং ব্যক্তি সুবিধাসহ দুর্নীতি বন্ধ করায় ওই অসাধু ব্যক্তিদের ইন্দনে একটি মহল মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে বরিশালের স্বনামধন্য সৎ, আদর্শবান জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে।
প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষ বরিশাল জেলা প্রশাসক সম্পর্কে অবগত আছেন বলে জানান ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের একজন। তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন বরিশালের জেলা প্রশাসক সম্পর্কে একাধিকবার মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন অভিযোগ সামনে এনে তার বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চালাচ্ছে তা পুরো প্রশাসনের জন্য একটি হুমকি স্বরূপ,কেননা যারা ভাল কাজ করে তাদের বিরুদ্ধে বেশি অপপ্রচার বর্তমানে দেখা যাচ্ছে। যখনই যার স্বার্থে আঘাত লাগে তখনই তিনি বিভিন্নভাবে সৎ, আদর্শবান, নিষ্ঠাবান অফিসারদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে অপপ্রচার চালায়। তিনি আরো বলেন, তবে যদি কোন তথ্যের সত্যতা থাকে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।কিন্তু কোন মিথ্যা তথ্য দিয়ে ঢালাও ভাবে অপপ্রচার চালালে তা হবে গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেলের মত অবস্থা।
বরিশাল জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তার কোন বৈধ প্রমাণ অভিযোগকারীদের কাছে নেই বলে জানান জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা। তিনি বলেন জেলা প্রশাসক হিসেবে খাইরুল আলম সুমন যেদিন যোগদান করেছেন তারপরে বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয় একটি পয়সারও দুর্নীতি হয় নাই তিনি সম্পূর্ণ কজন স ৎ অফিসার বলে আখ্যা দিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।তিনি আরো বলেন যারা বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয় দীর্ঘদিন একই পদে ছিল এবং বিভিন্নভাবে সেবা প্রার্থীদের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিত তাদেরকে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়াই যেন কাল হয়েছে বরিশাল জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমন এর। ওই কর্মকর্তা আরো বলেন ঐ সব অবৈধ ব্যক্তিরা তাদের অবৈধ কালো টাকা খরচ করে বরিশাল জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে মেতে উঠেছে যাহা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা, বানোয়াট, মনগড়া।
ওই কর্মকর্তা আরো বলেন আপনারা দেখবেন যে পারিবারিক একটি মীমাংসিত বিষয় পুঁজি করে সেই পুঁজি বারবার সামনে এনেও বরিশাল জেলা প্রশাসককের সম্মানহানি করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছিল ওই দুর্নীতিবাজ ঈর্ষান্বিত মহলটি।
বরিশাল জেলা প্রশাসক কতিপয় দুর্নীতিবাজদের দুর্নীতি বন্ধ করায় তার এই অপপ্রচারের সূত্রপাত হচ্ছে বলে ধারণা করেছেন একাধিক কর্মকর্তা,কর্মচারী ও বরিশালের সচেতন মহল।
বরিশাল জেলা প্রশাসক বরিশাল জেলার নির্বাচনকালীন কঠিন সময় যোগদান করার পর বরিশাল জেলায় অবাধ,সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং কোন ধরনের কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপহার দিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন বরিশালের সর্ব মহলের। যা আবার একটি মহলের কাছে মরার উপর খাড়ার গায়ের মত আঘাত লেগেছিল তাই তারা নির্বাচনকালীন অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
বরিশাল জেলার স্বনামধন্য জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমন বরিশাল জেলায় যোগদান করার পর থেকেই বরিশাল জেলার উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড অব্যাহত রেখে এবং বাংলাদেশ সরকারের যে সকল কর্মসূচি আছে সকল কর্মসূচি সঠিকভাবে সততার সাথে পালন করে আসছেন অদ্যাবধি।বরিশাল জেলা প্রশাসকের সততার সাথে কাজ করাই যেন অনেকের গায়ের জ্বালা হয়ে দাঁড়ায়। তাই তাকে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা তোহমত দিয়ে অত্র পথ থেকে অন্যত্র সরিয়ে দিতে পারলে আবার এই দুর্নীতিবাজ মহলটি লুটেপুটে খাওয়ার ধান্দা খুঁজছে।
জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমন বরিশাল জেলায় যোগদানের পরে শতভাগ সততার সাথে যেসব প্রজেক্টসহ উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করেছেন তা একেবারে দিনের আলোর মত জ্বলজ্বল করছে বরিশাল বাসির চোখের সামনে।
বরিশাল জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমন বরিশালে যোগদান করার পর থেকে বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয় কে একেবারে শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত আখ্যা দিয়েছেন বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয় সেবা নিতে আসা একাধিক সেবা গ্রহণ করী প্রার্থীরা।সেবা গ্রহণকারী একাধিক ব্যক্তিরা প্রতিবেদককে বলেন এই ধরনের জেলা প্রশাসক বাংলাদেশের সকল জেলায় দরকার।
তারা আরো বলেন বরিশাল জেলা প্রশাসক হিসেবে তিনি আমাদের যে সেবা দিয়েছেন তা আমাদের চিরদিন মনে থাকবে।বিশেষ করে এল এ শাখায় যাদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে তাদের অধিগ্রহণের টাকা পেতে খরচ করতে হয়নি একটি পয়সাও।যেসব সার্ভেয়ার গন এল এ শাখায় বসে দুর্নীতি করতো তাদেরকে তিনি অন্যত্র সরিয়ে দেন।যাহা একটি বিরল রেকর্ড বরিশালের জন্য।
বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয় সাপ্তাহিক গণশুনানিতে আশা সাধারণ জনগণ বর্তমান জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমনকে একজন মানবিক জেলা প্রশাসক উপাধিতে ভূষিত করেছেন বলে জানা যায়।
বরিশাল জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমন তার কর্মকান্ডের ব্যাপারে প্রতিবেদককে বলেন, আমি বরিশাল জেলা প্রশাসন হিসেবে যোগদান করার পর থেকে আমার জানামতে একটিও দুর্নীতি করিনি এবং আমার অফিসের কেউ যেন দুর্নীতি না করতে পারে সে ব্যাপারেও যথাযথ চেষ্টা করেছি।যতদিন এই চেয়ারে থাকবো এই চেয়ারের যথাযথ মর্যাদা সামুন্নত রাখার চেষ্টা করব। আপনার ব্যাপারে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে সে ব্যাপারে কি বলবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, কে কি বলল তাতে আমার কোন কিছু আসে যায় না আমি আমার কর্ম দ্বারাই সবার কাছে পরিচিত হতে চাই।আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আছে তারা আমার কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে তদারকি করেন সর্বদা।তাই আমি কোন অপপ্রচারে কর্ণপাত করি না। তিনি আরো বলেন আমি বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে কোন ভাউচারের মাধ্যমে একটি পয়সাও উত্তোলন করি নি এমনকি অনৈতিকভাবে ব্যক্তিগত কোন সুবিধা ও গ্রহণ করেনি আমি জেলা প্রশাসক হওয়ার পরে সরকারের একটি টাকাও অযথা খরচ করিনি তাই আমার সততাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আমার বিরুদ্ধে কোন অপপ্রচারে আমি কখনোই কর্ণপাত করিনি করবোও না।