বিশেষ প্রতিনিধি এসএম শাহ আলম। বরিশাল জেলার কাজিরহাট থানার ৬ নং বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নের মোতাহার হোসেন বয়াতির ছেলে বসার বয়াতি গতকাল ৩এপ্রিল শনিবার দিবাগত রাতে পিকআপ গাড়ির ব্যাটারি চুরি করতে গিয়ে জনতার হাতে আনুমানিক রাত্র তিনটায় আটক হন /থানা সূত্রে জানা যায় কাজিরহাট থানার বিদ্যানন্দপুর মডেল ইউনিয়নে চরখাজুড়িয়া গ্রামের মোতাহার মাতব্বরের ছেলে ৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা /তিনি একজন পেশাগত চোর /দীর্ঘদিন চুরি করাটাই হলো তার প্রধান পেশা /বিদ্যানন্দ পুর চরখাজুড়িয়া গ্রামের মোসলেম মাতুব্বরের মেয়ে জামাই মাইদুল ইসলাম সুমন একজন পেশাগত ড্রাইভার। মাইদুল ইসলাম তাহার স্ত্রী সোনিয়াকে নিয়ে দুই দিন আগে বাবার বাড়ি বেড়াতে আসেন। একই গ্রামের পেশাগত চোর বসার বয়াতি বজলু খার ছেলে হালিম সহ অজ্ঞাত আরো দুইজন এই ঘটনার সাথে জড়িত। থানা শুনতে জানা যায় গতকাল গভীর রাত্রে বসার মাতুব্বর ও হালিম খানসহ। মাইদুল ইসলামের পিকআপ গাড়িটি তার বাড়ির আঙ্গিনায়ছিল। বসার বয়াতি ও হালিম খান, গভীর রাত্রে সোনিয়াদের বাড়ি ঢুকে গাড়ির ব্যাটারি খোলার চেষ্টা চালায়। মোসলেম মাতুব্বরের মুসলিম মাতব্বরের কন্যা সোনিয়া শব্দে শুনে, ঘরের লোকজনদেরকে সজাগ করে, বাহির হয়ে প্রধান চোর বসার বয়াতিকে আটকে ফেলে। ইতিমধ্যে হালিম চোরা সহ আরো দুইজন দৌড়ে পালিয়ে যায়। অতঃপর ডাক চিৎকার দিলে এলাকার লোকজন এসে বসার চোরকে মারধর করেন। এবং মোসলেম মাতব্বরের কন্যা সোনিয়া বেগম থানায় ফোন করলে। কাজিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান ঘটনা স্থলে দ্রুত ও এসআই মেহেদী সহসঙ্গে ফোর্সদেরকে পাঠান। তখন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ সত্যতা পেয়ে। আবুল বর্ষার চোরকে থানায় নিয়ে এসে। অতঃপর সোনিয়া বেগম বাদি হয়ে একটি চুরি মামলা দায়ের করেন। এলাকা সূত্রে আরো জানা যায় কাজিরহাট থানায় বসার বয়াতি একজন আলোচিত চোর। তাহার সাথে অনেক চোর আরো জড়িত রয়েছে। দীর্ঘদিন পর্যন্ত কাজিরহাট থানায় ইজিবাইকের একাধিক ব্যাটারি চুরির ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর ধারণা সকল ঘটনার সাথে বসার চোরা জড়িত আছে। এলাকা সূত্রে আরো জানা যায় মোসলেম মাতব্বরের মেয়ে জামাই এর বাড়ি উজিরপুর থানায় বড় কোঠা ইউনিয়নে।