1. faysal.rakib2020@gmail.com : admin :
  2. litonbayzid@gmail.com : Litonbayzid :
  3. barishaljanapad24@gmail.com : Litonbsl :
কোটা আন্দোলন; সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে সুরক্ষিত ছিল বিএমপির সব থানা - Barishal janapad ।। বরিশাল জনপদ
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
চিকিৎসা শেষে নিজ এলাকায় ফিরতেই গুঠিয়া বন্দরে সংবর্ধনা, নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস শ্রমিকের অধিকার উপেক্ষা করে কোনো ব্যবস্থা নয়: আতিকুর রহমান চ্যানেল আই’র ২৮ বছরে বরিশাল জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের শুভেচ্ছা ঢাকা এভারকেয়ার হাসপাতালের সাথে রাহাত আনোয়ার হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা চুক্তি স্বাক্ষরিত উদ্যোক্তা মাইষা মৃত্যুর ভুল বোঝাবুঝির অবসান, ডা: তহুরার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ প্রত্যাহার উপাসনালয়ে ভাতাঃ সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন ও আমাদের প্রত্যাশা দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা: জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার নিন্দা ও উদ্বেগ ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উজিরপুরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা এসএসসি পাস ৩ বন্ধু নিহত হাসপাতালে সাংবাদিক বেলায়েত বাবলুর পাশে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা উজিরপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গাছ কাটার অভিযোগ, জমি দখলের চেষ্টা
নোটিশ :
জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে।

কোটা আন্দোলন; সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে সুরক্ষিত ছিল বিএমপির সব থানা

  • প্রকাশিত : সোমবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৪
  • ২০৫ 0 বার সংবাদি দেখেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ ছাত্র আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সারাদেশের বিভিন্ন থানায় হামলা ভাঙচুর চালানো হলেও বরিশাল মহানগরীর কোনো থানায় এমন ঘটনা ঘটেনি। তবে গত ৫ আগস্ট দুপুরের দিকে একদল বিক্ষুব্ধ জনতা কাউনিয়া থানায় হামলা চালাতে গেলে পুলিশ তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে বরিশাল সেনা ক্যাম্পের কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল আল-আমিন ও মেজর মোহাম্মদ রাশেদ খানের নেতৃত্বে সেনা সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা সেখানে গিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে কথা বলে তাদের নিবৃত্ত করলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
মেজর মোহাম্মদ রাশেদ খান জানান, বরিশালে সেনা মোতায়েনের পর থেকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী প্রস্তুত। সেই দায়িত্ব থেকে গত ৫ আগস্ট কাউনিয়া থানায় হামলা চেষ্টার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষুব্ধদের নিবৃত্ত করা হয়। এসময় পুলিশ সদস্যরাও সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করেছেন বলে জানান তিনি।
কাউনিয়া থানার ওসি আসাদুজ্জামান জানান, গত ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার আগে সকালের দিকে একদল দুর্বৃত্ত থানা ভবন ঘেরাও করে হামলা ও লুটপাটের চেষ্টা চালায়। এরপর পুলিশ সদস্যরা তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসার পর কোনো রক্তপাত ছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
মোট চারটি থানা নিয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ গঠিত। এর মধ্যে রয়েছে কোতয়ালী মডেল থানা, বন্দর থানা, বিমানবন্দর (এয়ারপোর্ট) থানা ও কাউনিয়া থানা। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে সহিংসতা নিরসনে এসব থানার পুলিশ সদস্যরা ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বরিশালে ছাত্র আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করেছিল।এসময় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ এবং পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এ দিন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে বিক্ষুব্ধরা। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৬ জন। পুলিশ, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী এবং আন্দোলনকারী শতাধিক আহত হয়েছে।
এদিকে বিক্ষোভকালে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীমের বাসভবন, দুদক কার্যালয় এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের একটি কার্যালয়। পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে ২৫টির অধিক মোটরসাইকেল, ভাঙচুর করা হয় একটি অ্যাম্বুলেন্স। এ পরিস্থিতিতে পুলিশের একার পক্ষে এই অবস্থা সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয়েছে। এ অবস্থায় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি খুব জরুরি পদক্ষেপ ছিল। অন্যথায় বরিশালে ক্ষয়-ক্ষতির মাত্রা আরো বেশি হওয়ার আশঙ্কা ছিল।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Comments are closed.

‍এই ক্যাটাগরির ‍আরো সংবাদ